
স্বাদে গন্ধে অতুলনীয়, দামেও বিশ্বরেকর্ড; চিনুন জাপানের এই চালকে
বাঙালির পাতে যখন বাঁশমতির আধিপত্য, তখন বিশ্বমঞ্চে দাম ও গুণমানে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে জাপানের ‘কিনমেমাই প্রিমিয়াম’ চাল। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃক বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল চাল হিসেবে স্বীকৃত এই চাল তার অসাধারণ স্বাদ আর পুষ্টিগুণে ভোজনরসিকদের মুগ্ধ করেছে। মিশেলিন স্টার পুরস্কারপ্রাপ্ত সুশি মাস্টার শেফ কেনিচি ফুজিমোটো এই চালের দানাকে ‘হীরার মতো চকচকে’ বলে বর্ণনা করেছেন।
টয়ো রাইস কর্পোরেশনের প্রেসিডেন্ট কেইজি সাইকা জানান, এই চালের বিশেষত্ব হলো এর প্রাণশক্তি বা ‘ভাইটালিটি’ যাচাই করা হয়। সেরা মানের চাল বাছাইয়ের পর এনজাইম লেভেল পরীক্ষা করা হয়। এমনকি চাল কয়েক মাস পুরনো করলে এর স্বাদ আরও গভীর হয় এবং পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি পায় বলে দাবি করেন তিনি। জাপানে প্রতি বছর মাত্র এক হাজার বাক্স এই চাল উৎপাদন করা হয়।
বর্তমানে প্রতিটি বাক্স (৮৪০ গ্রাম) চালের দাম ১০ হাজার ৮০০ জাপানি ইয়েন বা প্রায় ৭৩ ডলার। ২০১৬ সালে প্রতি কেজি চালের দাম প্রায় ১০৯ ডলার ছিল। এটি মূলত বিলাসবহুল উপহার হিসেবে বা বিশেষ অনুষ্ঠানে কর্পোরেট গ্রাহকদের মুগ্ধ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণ চালের তুলনায় দাম অনেক বেশি হলেও এর অসাধারণ গুণাগুণের কারণে সারা বিশ্বের মানুষের মধ্যে এর চাহিদা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন

স্বাদে গন্ধে অতুলনীয়, দামেও বিশ্বরেকর্ড; চিনুন জাপানের এই চালকে
বাঙালির পাতে যখন বাঁশমতির আধিপত্য, তখন বিশ্বমঞ্চে দাম ও গুণমানে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে জাপানের ‘কিনমেমাই প্রিমিয়াম’ চাল। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃক বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল চাল হিসেবে স্বীকৃত এই চাল তার অসাধারণ স্বাদ আর পুষ্টিগুণে ভোজনরসিকদের মুগ্ধ করেছে। মিশেলিন স্টার পুরস্কারপ্রাপ্ত সুশি মাস্টার শেফ কেনিচি ফুজিমোটো এই চালের দানাকে ‘হীরার মতো চকচকে’ বলে বর্ণনা করেছেন।
টয়ো রাইস কর্পোরেশনের প্রেসিডেন্ট কেইজি সাইকা জানান, এই চালের বিশেষত্ব হলো এর প্রাণশক্তি বা ‘ভাইটালিটি’ যাচাই করা হয়। সেরা মানের চাল বাছাইয়ের পর এনজাইম লেভেল পরীক্ষা করা হয়। এমনকি চাল কয়েক মাস পুরনো করলে এর স্বাদ আরও গভীর হয় এবং পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি পায় বলে দাবি করেন তিনি। জাপানে প্রতি বছর মাত্র এক হাজার বাক্স এই চাল উৎপাদন করা হয়।
বর্তমানে প্রতিটি বাক্স (৮৪০ গ্রাম) চালের দাম ১০ হাজার ৮০০ জাপানি ইয়েন বা প্রায় ৭৩ ডলার। ২০১৬ সালে প্রতি কেজি চালের দাম প্রায় ১০৯ ডলার ছিল। এটি মূলত বিলাসবহুল উপহার হিসেবে বা বিশেষ অনুষ্ঠানে কর্পোরেট গ্রাহকদের মুগ্ধ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণ চালের তুলনায় দাম অনেক বেশি হলেও এর অসাধারণ গুণাগুণের কারণে সারা বিশ্বের মানুষের মধ্যে এর চাহিদা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…