দুই নেত্রীর আমল শেষে ভোটের মাঠে নেই নারী, ক্ষমতায় আসছে পুরুষরা
নির্বাচনে ভোটার হিসেবে উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ থাকলেও মনোনয়ন পেয়েছেন মাত্র হাতেগোনা কয়েকজন। আসন্ন নির্বাচনে দেশের প্রধান দুই দলসহ বেশিরভাগ রাজনৈতিক শক্তিই পুরুষদের ওপর গুরুত্ব দেওয়ায় আগামী সরকার ব্যবস্থা কার্যত পুরুষ শাসিত হতে চলেছে। এবার ৩০০ আসনে মোট ১ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে নারী প্রার্থীর সংখ্যা মাত্র ৭৬ জন, যা মোট প্রার্থীর চার শতাংশেরও কম।
দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতার শীর্ষে থাকা দুই নারী নেতার অবসানের পর এই শূন্যতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ১৯৯১ সাল থেকে ২০২৪ সালের বিপ্লব পর্যন্ত শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার দীর্ঘ আধিপত্যের পর গত ডিসেম্বরে খালেদা জিয়ার মৃত্যু এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন প্রজন্মের কাছে হতাশা তৈরি করেছে। প্রথমবার ভোটার হওয়া ২০ বছর বয়সী আরিয়ানা রহমান বলেন, ‘আমি আগে গর্ব অনুভব করতাম যে আমার দেশ খুব উদার না হলেও শীর্ষে দুইজন নারী ছিলেন। যে-ই জিতুক না কেন, নারীই প্রধানমন্ত্রী হতেন।’

দক্ষিণ এশিয়ার এই রক্ষণশীল দেশে নারী রাজনীতিকদের জন্য পথটা কখনও সহজ ছিল না। স্বাধীনতার পর থেকে সর্বোচ্চ ২২ জন নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন ২০১৮ সালে। তবে এবারের নির্বাচনে দলগুলোর এমন মনোনয়ন প্রক্রিয়া স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে আগামী দিনে সংসদে নারীদের উপস্থিতি আরও কমে আসতে পারে, যা গণতন্ত্রে নারী অংশগ্রহণের জন্য একটি বড় বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
দুই নেত্রীর আমল শেষে ভোটের মাঠে নেই নারী, ক্ষমতায় আসছে পুরুষরা
নির্বাচনে ভোটার হিসেবে উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ থাকলেও মনোনয়ন পেয়েছেন মাত্র হাতেগোনা কয়েকজন। আসন্ন নির্বাচনে দেশের প্রধান দুই দলসহ বেশিরভাগ রাজনৈতিক শক্তিই পুরুষদের ওপর গুরুত্ব দেওয়ায় আগামী সরকার ব্যবস্থা কার্যত পুরুষ শাসিত হতে চলেছে। এবার ৩০০ আসনে মোট ১ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে নারী প্রার্থীর সংখ্যা মাত্র ৭৬ জন, যা মোট প্রার্থীর চার শতাংশেরও কম।
দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতার শীর্ষে থাকা দুই নারী নেতার অবসানের পর এই শূন্যতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ১৯৯১ সাল থেকে ২০২৪ সালের বিপ্লব পর্যন্ত শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার দীর্ঘ আধিপত্যের পর গত ডিসেম্বরে খালেদা জিয়ার মৃত্যু এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন প্রজন্মের কাছে হতাশা তৈরি করেছে। প্রথমবার ভোটার হওয়া ২০ বছর বয়সী আরিয়ানা রহমান বলেন, ‘আমি আগে গর্ব অনুভব করতাম যে আমার দেশ খুব উদার না হলেও শীর্ষে দুইজন নারী ছিলেন। যে-ই জিতুক না কেন, নারীই প্রধানমন্ত্রী হতেন।’

দক্ষিণ এশিয়ার এই রক্ষণশীল দেশে নারী রাজনীতিকদের জন্য পথটা কখনও সহজ ছিল না। স্বাধীনতার পর থেকে সর্বোচ্চ ২২ জন নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন ২০১৮ সালে। তবে এবারের নির্বাচনে দলগুলোর এমন মনোনয়ন প্রক্রিয়া স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে আগামী দিনে সংসদে নারীদের উপস্থিতি আরও কমে আসতে পারে, যা গণতন্ত্রে নারী অংশগ্রহণের জন্য একটি বড় বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…