পাঁচ বছরের শিশু লিয়ামকে নির্বাসিত করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) মিনেসোটায় আটক পাঁচ বছর বয়সী ইকুয়েডরীয় শিশু লিয়াম কনেহো রামোসকে দেশে ফেরত পাঠানোর আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। শিশুটি তার বাবার সাথে আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করলেও এখন তাদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
লিয়াম ও তার বাবা এড্রিয়ান কনেহো আরিয়াসকে গত মাসে টেক্সাসের একটি আটক কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল। পরে আদালতের নির্দেশে গত ৩১ জানুয়ারি তারা মুক্তি পান এবং মিনেসোটায় ফিরে যান। তবে মুক্তির পরপরই সরকার তাদের বিরুদ্ধে বহিষ্কার বা ডেপোর্টেশনের মামলা দায়ের করেছে।

লিয়ামের আইনজীবী ড্যানিয়েল মলিভার এই সিদ্ধান্তকে ‘অস্বাভাবিক’ হিসেবে বর্ণনা করে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এটি প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হতে পারে। অন্যদিকে ডিএইচএসের মুখপাত্র ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিন দাবি করেছেন, এটি সম্পূর্ণ নিয়মিত বহিষ্কার প্রক্রিয়ার অংশ এবং এতে প্রতিশোধের কোনো উপাদান নেই।
সরকার দাবি করেছে যে লিয়ামের বাবা অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তবে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়নি। শিশুটির ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
পাঁচ বছরের শিশু লিয়ামকে নির্বাসিত করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) মিনেসোটায় আটক পাঁচ বছর বয়সী ইকুয়েডরীয় শিশু লিয়াম কনেহো রামোসকে দেশে ফেরত পাঠানোর আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। শিশুটি তার বাবার সাথে আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করলেও এখন তাদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
লিয়াম ও তার বাবা এড্রিয়ান কনেহো আরিয়াসকে গত মাসে টেক্সাসের একটি আটক কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল। পরে আদালতের নির্দেশে গত ৩১ জানুয়ারি তারা মুক্তি পান এবং মিনেসোটায় ফিরে যান। তবে মুক্তির পরপরই সরকার তাদের বিরুদ্ধে বহিষ্কার বা ডেপোর্টেশনের মামলা দায়ের করেছে।

লিয়ামের আইনজীবী ড্যানিয়েল মলিভার এই সিদ্ধান্তকে ‘অস্বাভাবিক’ হিসেবে বর্ণনা করে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এটি প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হতে পারে। অন্যদিকে ডিএইচএসের মুখপাত্র ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিন দাবি করেছেন, এটি সম্পূর্ণ নিয়মিত বহিষ্কার প্রক্রিয়ার অংশ এবং এতে প্রতিশোধের কোনো উপাদান নেই।
সরকার দাবি করেছে যে লিয়ামের বাবা অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তবে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়নি। শিশুটির ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…