গাজার পরিবহন ব্যবস্থায় ২৫০ কোটি ডলারের ক্ষতি, সাইকেলেই এখন অধ্যাপক
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় দীর্ঘদিনের ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে পরিবহন খাতে বিপুল আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এই ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫০ কোটি ডলার। অবকাঠামো ধ্বংস ও গণপরিবহন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় সেখানকার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শিক্ষাঙ্গনের মানুষজনও চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
এমনই এক পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাসান এল-নাবিহকে প্রতিদিন সকালে ল্যাপটপ ও ব্রিফকেস নিয়ে সাইকেলে করে বের হতে হয়। শিক্ষার্থীদের সাথে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার জন্য তাকে এখন এভাবেই ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ সংযোগের খোঁজে ঘুরতে হয়। যুদ্ধ-বিধ্বস্ত গাজায় একজন অধ্যাপকের সাইকেল চালানো আগে অস্বাভাবিক হলেও বর্তমানে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাইকে এই বাস্তবতার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হচ্ছে।

গত ডিসেম্বরে গাজা শহরের শুজাইয়া এলাকায় একটি বিমান হামলার সময় তার গাড়িটি পার্কিং করা ছিল। সেই হামলায় গাড়ির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে এবং উইন্ডশিল্ড ভেঙে যায়। হাসান এল-নাবিহ জানান, গাড়িটি এখন চালানোর অযোগ্য। তাছাড়া জ্বালানি সংকটের কারণে অন্য কোনো যানবাহনও ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়েই এই অধ্যাপককে সাইকেলে ঝুঁকতে হয়েছে, যা গাজার বর্তমান দুর্দশার এক জ্বলন্ত উদাহরণ।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
গাজার পরিবহন ব্যবস্থায় ২৫০ কোটি ডলারের ক্ষতি, সাইকেলেই এখন অধ্যাপক
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় দীর্ঘদিনের ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে পরিবহন খাতে বিপুল আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এই ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫০ কোটি ডলার। অবকাঠামো ধ্বংস ও গণপরিবহন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ায় সেখানকার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শিক্ষাঙ্গনের মানুষজনও চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
এমনই এক পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাসান এল-নাবিহকে প্রতিদিন সকালে ল্যাপটপ ও ব্রিফকেস নিয়ে সাইকেলে করে বের হতে হয়। শিক্ষার্থীদের সাথে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার জন্য তাকে এখন এভাবেই ইন্টারনেট ও বিদ্যুৎ সংযোগের খোঁজে ঘুরতে হয়। যুদ্ধ-বিধ্বস্ত গাজায় একজন অধ্যাপকের সাইকেল চালানো আগে অস্বাভাবিক হলেও বর্তমানে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাইকে এই বাস্তবতার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হচ্ছে।

গত ডিসেম্বরে গাজা শহরের শুজাইয়া এলাকায় একটি বিমান হামলার সময় তার গাড়িটি পার্কিং করা ছিল। সেই হামলায় গাড়ির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে এবং উইন্ডশিল্ড ভেঙে যায়। হাসান এল-নাবিহ জানান, গাড়িটি এখন চালানোর অযোগ্য। তাছাড়া জ্বালানি সংকটের কারণে অন্য কোনো যানবাহনও ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়েই এই অধ্যাপককে সাইকেলে ঝুঁকতে হয়েছে, যা গাজার বর্তমান দুর্দশার এক জ্বলন্ত উদাহরণ।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…