গাজায় স্থায়ী শান্তি ফেরাতে ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ডের’ জরুরি বৈঠক
গাজা উপত্যকায় চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও গুরুতর মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ লক্ষ্যে ওয়াশিংটনে শিগগিরই তার গঠন করা ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি বোর্ডের এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে আলোচিত এই বোর্ডটি যুদ্ধবিরতি এবং বন্দীদের মুক্তির বিষয়ে একটি বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ তৈরি করার চেষ্টা করবে।
হোয়াইট হাউসে এই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন বিষয়ে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের পথ খোঁজা হবে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন কূটনীতির এক নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। শান্তি বোর্ডের সদস্যরা মানবিক সহায়তার পথ সুষ্ঠু করার পাশাপাশি যুদ্ধ-পরবর্তী গাজা পুনর্গঠনের কৌশল নিয়েও আলোচনা করবেন।

তবে এই উদ্যোগ নিয়ে কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে মনে করছেন, গাজার বর্তমান জটিল পরিস্থিতি শুধুমাত্র আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা কঠিন, এর জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের আন্তরিকতা অপরিহার্য। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই বৈঠকের ফলাফলের ওপর সন্তুষ্টির সাথে নজর রাখছে, কারণ লাখ লাখ মানুষের ভাগ্য এখন এই উদ্যোগের ওপর নির্ভরশীল।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
গাজায় স্থায়ী শান্তি ফেরাতে ট্রাম্পের ‘শান্তি বোর্ডের’ জরুরি বৈঠক
গাজা উপত্যকায় চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও গুরুতর মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ লক্ষ্যে ওয়াশিংটনে শিগগিরই তার গঠন করা ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি বোর্ডের এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে আলোচিত এই বোর্ডটি যুদ্ধবিরতি এবং বন্দীদের মুক্তির বিষয়ে একটি বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ তৈরি করার চেষ্টা করবে।
হোয়াইট হাউসে এই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন বিষয়ে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের পথ খোঁজা হবে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন কূটনীতির এক নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। শান্তি বোর্ডের সদস্যরা মানবিক সহায়তার পথ সুষ্ঠু করার পাশাপাশি যুদ্ধ-পরবর্তী গাজা পুনর্গঠনের কৌশল নিয়েও আলোচনা করবেন।

তবে এই উদ্যোগ নিয়ে কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে মনে করছেন, গাজার বর্তমান জটিল পরিস্থিতি শুধুমাত্র আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা কঠিন, এর জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের আন্তরিকতা অপরিহার্য। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই বৈঠকের ফলাফলের ওপর সন্তুষ্টির সাথে নজর রাখছে, কারণ লাখ লাখ মানুষের ভাগ্য এখন এই উদ্যোগের ওপর নির্ভরশীল।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…