ইরানের তেল বাণিজ্যে জড়িতদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও ট্যারিফের হুঁশিয়ারি
ইরানের সাথে তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের অবৈধ বাণিজ্যের অভিযোগে ১৫টি প্রতিষ্ঠান এবং ১৪টি জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানি শাসকগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস এই পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোকেমিক্যাল ব্যবসা বন্ধ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একইসাথে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাথে বাণিজ্যরত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
ওয়াশিংটন দাবি করেছে, তেহরানের শাসকগোষ্ঠী এই অর্থ ব্যবহার করছে বিদেশে সন্ত্রাসবাদ মদদ দিতে এবং নিজ দেশের নিরীহ নাগরিকদের ওপর দমননীতি প্রয়োগ করতে। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলার ঘটনার প্রেক্ষাপটে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরান সরকার নাগরিকদের নিরাপত্তার চেয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এ কারণেই ওই ১৪টি ‘ছায়া নৌবহর’ এবং সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করে বলেছেন, ইরান থেকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পণ্য কেনা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র থেকে রপ্তানি করা পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্কারোপ করা হবে। ওই আদেশে সুনির্দিষ্ট হার না থাকলেও সূত্র মতে, এই শুল্ক ২৫ শতাংশ পর্যন্ত গড়াতে পারে। ইরানের অপরিশোধিত তেল বাণিজ্য বন্ধে এই নীতি আরও কঠোর হবে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ইরানের তেল বাণিজ্যে জড়িতদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও ট্যারিফের হুঁশিয়ারি
ইরানের সাথে তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের অবৈধ বাণিজ্যের অভিযোগে ১৫টি প্রতিষ্ঠান এবং ১৪টি জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানি শাসকগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস এই পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোকেমিক্যাল ব্যবসা বন্ধ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একইসাথে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাথে বাণিজ্যরত দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
ওয়াশিংটন দাবি করেছে, তেহরানের শাসকগোষ্ঠী এই অর্থ ব্যবহার করছে বিদেশে সন্ত্রাসবাদ মদদ দিতে এবং নিজ দেশের নিরীহ নাগরিকদের ওপর দমননীতি প্রয়োগ করতে। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলার ঘটনার প্রেক্ষাপটে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরান সরকার নাগরিকদের নিরাপত্তার চেয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এ কারণেই ওই ১৪টি ‘ছায়া নৌবহর’ এবং সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করে বলেছেন, ইরান থেকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পণ্য কেনা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র থেকে রপ্তানি করা পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্কারোপ করা হবে। ওই আদেশে সুনির্দিষ্ট হার না থাকলেও সূত্র মতে, এই শুল্ক ২৫ শতাংশ পর্যন্ত গড়াতে পারে। ইরানের অপরিশোধিত তেল বাণিজ্য বন্ধে এই নীতি আরও কঠোর হবে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…