উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের সাথে আলোচনা, আশাবাদী ট্রাম্প
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের সাথে অনুষ্ঠিত পরোক্ষ আলোচনাকে ‘খুবই ভালো’ বলে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওমানের রাজধানী মাস্কাটে গত শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে মিলিত হন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহেও আবারও এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার সরকারি বিমান এয়ারফোর্স ওয়ান থেকে সাংবাদিকদের বলেন, দেখা যাচ্ছে ইরান চুক্তি করতে উৎসুক। এর আগে ওমানে আলোচনা চলাকালীন ইরানের বিরুদ্ধে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন তিনি। এই আদেশের মাধ্যমে তেহরানের ওপর নতুন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে ইরান থেকে পণ্য আমদানিকারী দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র সেকেন্ডারি শুল্ক আরোপ করবে।

উল্লেখ্য, গত কয়েক দিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সামরিক শক্তি মজুদ করছে যুক্তরাষ্ট্র। এমন পরিস্থিতিতে এই আলোচনাকে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরাজমান উত্তেজনা কমানোর একটি প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে। কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখলে এই আলোচনার ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়ে কূটনীতিকরা সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের সাথে আলোচনা, আশাবাদী ট্রাম্প
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের সাথে অনুষ্ঠিত পরোক্ষ আলোচনাকে ‘খুবই ভালো’ বলে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওমানের রাজধানী মাস্কাটে গত শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে মিলিত হন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহেও আবারও এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার সরকারি বিমান এয়ারফোর্স ওয়ান থেকে সাংবাদিকদের বলেন, দেখা যাচ্ছে ইরান চুক্তি করতে উৎসুক। এর আগে ওমানে আলোচনা চলাকালীন ইরানের বিরুদ্ধে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন তিনি। এই আদেশের মাধ্যমে তেহরানের ওপর নতুন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে ইরান থেকে পণ্য আমদানিকারী দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র সেকেন্ডারি শুল্ক আরোপ করবে।

উল্লেখ্য, গত কয়েক দিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সামরিক শক্তি মজুদ করছে যুক্তরাষ্ট্র। এমন পরিস্থিতিতে এই আলোচনাকে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরাজমান উত্তেজনা কমানোর একটি প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে। কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখলে এই আলোচনার ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়ে কূটনীতিকরা সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…