বাংলাদেশ-পাক সখ্যে উদ্বিগ্ন নয় দিল্লি, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার আশ্বাস
বাংলাদেশের সাথে পাকিস্তান ও চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক নিয়ে ভারত সরকার কোনো আপত্তি জানায়নি; বরং ঢাকার সাথে তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অন্য কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল নয় বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) লোকসভায় বাংলাদেশ বিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রতিবেশী হিসেবে দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর এবং এটি তৃতীয় কোনো পক্ষের প্রভাব থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীন।
‘সবার আগে প্রতিবেশী’ নীতির অধীনে ভারত তাদের জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা রক্ষায় সার্বক্ষণিক নজর রাখছে বলেও জানান তিনি। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি ভারত বরাবরই গুরুত্বের সাথে দেখছে। কীর্তি বর্ধন সিং জানান, গত বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে এই ইস্যুটি সরাসরি উত্থাপন করা হয়েছিল। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী পর্যায়েও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

এই অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে ভারত দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রতিবেশীদের সাথে নিয়মিত কূটনৈতিক আলোচনা, বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে সম্পর্ক মজবুত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দিল্লি।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
বাংলাদেশ-পাক সখ্যে উদ্বিগ্ন নয় দিল্লি, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার আশ্বাস
বাংলাদেশের সাথে পাকিস্তান ও চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক নিয়ে ভারত সরকার কোনো আপত্তি জানায়নি; বরং ঢাকার সাথে তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অন্য কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল নয় বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) লোকসভায় বাংলাদেশ বিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রতিবেশী হিসেবে দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর এবং এটি তৃতীয় কোনো পক্ষের প্রভাব থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীন।
‘সবার আগে প্রতিবেশী’ নীতির অধীনে ভারত তাদের জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা রক্ষায় সার্বক্ষণিক নজর রাখছে বলেও জানান তিনি। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি ভারত বরাবরই গুরুত্বের সাথে দেখছে। কীর্তি বর্ধন সিং জানান, গত বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে এই ইস্যুটি সরাসরি উত্থাপন করা হয়েছিল। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী পর্যায়েও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

এই অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে ভারত দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রতিবেশীদের সাথে নিয়মিত কূটনৈতিক আলোচনা, বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে সম্পর্ক মজবুত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দিল্লি।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…