চাঞ্চল্যকর তথ্য: দীর্ঘদিন ধরে হরমোনের ঘাটতিতে ভুগছিলেন এপস্টেইন
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে প্রকাশিত দলিলে জেফরি এপস্টেইনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। ‘এপস্টেইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট’-এর আওতায় প্রকাশিত এই নথিতে দেখা যায়, প্রায় এক দশক ধরে এই কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক মারাত্মক হরমোন ঘাটতিতে ভুগছিলেন।
মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী, তার শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা ছিল ১২৫ থেকে ১৪২ ন্যানোগ্রাম প্রতি ডেসিলিটার, যা স্বাভাবিক মানের (৩০০ ন্যানোগ্রাম) তুলনায় অর্ধেকেরও কম। এছাড়া তার গনোরিয়া আক্রান্ত হওয়ারও তথ্য মিলেছে। চিকিৎসকরা তাকে থেরাপি দেওয়ার পরামর্শ দিলেও ২০১৬ সালে শরীর ফুলে যাওয়া ও ওজন বেড়ে যাওয়ার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে তিনি তা বন্ধ করে দেন।

নথিপত্র থেকে আরও জানা যায়, নিজের শুক্রাণু সংরক্ষণের উপায় খুঁজছিলেন এপস্টেইন এবং তিনি নিয়মিত যৌনবর্ধক পণ্যের প্রচারমূলক ইমেইল পেতেন। যৌন পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে ২০১৯ সালের আগস্টে কারাগারে থাকা অবস্থায় আত্মহত্যা করেন তিনি।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
চাঞ্চল্যকর তথ্য: দীর্ঘদিন ধরে হরমোনের ঘাটতিতে ভুগছিলেন এপস্টেইন
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে প্রকাশিত দলিলে জেফরি এপস্টেইনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। ‘এপস্টেইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট’-এর আওতায় প্রকাশিত এই নথিতে দেখা যায়, প্রায় এক দশক ধরে এই কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক মারাত্মক হরমোন ঘাটতিতে ভুগছিলেন।
মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী, তার শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা ছিল ১২৫ থেকে ১৪২ ন্যানোগ্রাম প্রতি ডেসিলিটার, যা স্বাভাবিক মানের (৩০০ ন্যানোগ্রাম) তুলনায় অর্ধেকেরও কম। এছাড়া তার গনোরিয়া আক্রান্ত হওয়ারও তথ্য মিলেছে। চিকিৎসকরা তাকে থেরাপি দেওয়ার পরামর্শ দিলেও ২০১৬ সালে শরীর ফুলে যাওয়া ও ওজন বেড়ে যাওয়ার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে তিনি তা বন্ধ করে দেন।

নথিপত্র থেকে আরও জানা যায়, নিজের শুক্রাণু সংরক্ষণের উপায় খুঁজছিলেন এপস্টেইন এবং তিনি নিয়মিত যৌনবর্ধক পণ্যের প্রচারমূলক ইমেইল পেতেন। যৌন পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে ২০১৯ সালের আগস্টে কারাগারে থাকা অবস্থায় আত্মহত্যা করেন তিনি।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…