চীন-দক্ষিণ কোরিয়া সম্পর্ক: ১৫ বছর পর ফিরছে যৌথ সামুদ্রিক মহড়া
প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় পর চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে আবারও যৌথ সামুদ্রিক অনুসন্ধান ও উদ্ধার মহড়া বা ‘সারেক্স’ পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত দুই দেশের ২১তম দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা নীতি বৈঠকে এ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলেছেন উভয় পক্ষের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা। গত তিন বছরেরও বেশি সময়ের বিরতির পর এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়াকে দুই দেশের সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বৈঠকে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা পুনরুজ্জীবনের প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেছে বেইজিং ও সিউল। কৌশলগত সংলাপের চ্যানেলগুলো পুনরায় সচল করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি ও পারস্পরিক বিনিময়ের পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে তারা। এর আগে ২০০৫, ২০০৭, ২০০৮ এবং সর্বশেষ ২০১১ সালে দুই দেশের মধ্যে এই ধরনের মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

সম্পর্ক উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে যে শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই নতুন উদ্যোগ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দুই দেশের মধ্যকার অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধান এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
চীন-দক্ষিণ কোরিয়া সম্পর্ক: ১৫ বছর পর ফিরছে যৌথ সামুদ্রিক মহড়া
প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় পর চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে আবারও যৌথ সামুদ্রিক অনুসন্ধান ও উদ্ধার মহড়া বা ‘সারেক্স’ পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত দুই দেশের ২১তম দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা নীতি বৈঠকে এ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলেছেন উভয় পক্ষের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা। গত তিন বছরেরও বেশি সময়ের বিরতির পর এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়াকে দুই দেশের সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বৈঠকে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা পুনরুজ্জীবনের প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেছে বেইজিং ও সিউল। কৌশলগত সংলাপের চ্যানেলগুলো পুনরায় সচল করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি ও পারস্পরিক বিনিময়ের পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে তারা। এর আগে ২০০৫, ২০০৭, ২০০৮ এবং সর্বশেষ ২০১১ সালে দুই দেশের মধ্যে এই ধরনের মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

সম্পর্ক উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে যে শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই নতুন উদ্যোগ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দুই দেশের মধ্যকার অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধান এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…