সাহায্য নিয়ে গাজার পথে আবার ‘গ্লোবাল সুমুদ’, থাকবেন হাজার খানেক চিকিৎসক
দখলদার ইসরায়েলের বর্বর হামলার মুখে ধ্বংসস্তূপে পরিণত গাজার মানুষের পাশে দাঁড়াতে আবারও রওয়া হচ্ছে ‘গ্লোবাল সুমুদ’ নামের একটি মানবিক জাহাজ বহর। আগামী ২৯ মার্চ স্পেনের বার্সেলোনা বন্দর থেকে এই বহরের যাত্রা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ থেকে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ফ্লোটিলার সক্রিয় সদস্য সুমেইরা আকদেনিজ ওর্ডু জানিয়েছেন, বার্সেলোনা ছাড়াও তিউনিসিয়া ও ইতালির বিভিন্ন বন্দর থেকে অন্যান্য জাহাজ এই বহরে যোগ দেবে। এবারের কর্মসূচিতে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটবে, যাদের মধ্যে এক হাজারেরও বেশি চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। এছাড়া ইকো-নির্মাণকর্মী এবং যুদ্ধাপরাধ তদন্তকারীরাও এই মিশনে অংশ নেবেন। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ ‘ট্রাম্প পরিকল্পনার’ একটি বিকল্প, কারণ এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনিরা নিজেদের দেশ পুনর্গঠনের কাজ নিজেরাই করতে পারবে।

সমুদ্রপথের পাশাপাশি একটি বৃহৎ স্থলপথের কনভয়ও গঠন করা হচ্ছে। এই মানবিক কনভয়ে চিকিৎসা সামগ্রী, খাদ্য ও জরুরি অন্যান্য সরঞ্জাম থাকবে। ডাক্তার, প্রকৌশলী এবং বিভিন্ন পেশাজীবী এই কনভয়ে অংশগ্রহণ করবেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
সাহায্য নিয়ে গাজার পথে আবার ‘গ্লোবাল সুমুদ’, থাকবেন হাজার খানেক চিকিৎসক
দখলদার ইসরায়েলের বর্বর হামলার মুখে ধ্বংসস্তূপে পরিণত গাজার মানুষের পাশে দাঁড়াতে আবারও রওয়া হচ্ছে ‘গ্লোবাল সুমুদ’ নামের একটি মানবিক জাহাজ বহর। আগামী ২৯ মার্চ স্পেনের বার্সেলোনা বন্দর থেকে এই বহরের যাত্রা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ থেকে আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ফ্লোটিলার সক্রিয় সদস্য সুমেইরা আকদেনিজ ওর্ডু জানিয়েছেন, বার্সেলোনা ছাড়াও তিউনিসিয়া ও ইতালির বিভিন্ন বন্দর থেকে অন্যান্য জাহাজ এই বহরে যোগ দেবে। এবারের কর্মসূচিতে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটবে, যাদের মধ্যে এক হাজারেরও বেশি চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। এছাড়া ইকো-নির্মাণকর্মী এবং যুদ্ধাপরাধ তদন্তকারীরাও এই মিশনে অংশ নেবেন। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ ‘ট্রাম্প পরিকল্পনার’ একটি বিকল্প, কারণ এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনিরা নিজেদের দেশ পুনর্গঠনের কাজ নিজেরাই করতে পারবে।

সমুদ্রপথের পাশাপাশি একটি বৃহৎ স্থলপথের কনভয়ও গঠন করা হচ্ছে। এই মানবিক কনভয়ে চিকিৎসা সামগ্রী, খাদ্য ও জরুরি অন্যান্য সরঞ্জাম থাকবে। ডাক্তার, প্রকৌশলী এবং বিভিন্ন পেশাজীবী এই কনভয়ে অংশগ্রহণ করবেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…