হাজার হাজার চিকিৎসক ও তদন্তকারী নিয়ে গাজায় যাচ্ছে ‘গ্লোবাল সুমুদ’
ইসরায়েলি আগ্রাসনের মধ্যেই গাজার মানুষের পাশে দাঁড়াতে আগামী ২৯ মার্চ স্পেনের বার্সেলোনা থেকে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানবিক ত্রাণ বহর ‘গ্লোবাল সুমুদ’। এই মিশনের মাধ্যমে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত অঞ্চলে জরুরি সাহায্য পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ থেকে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়।
এবারের এই সমুদ্র যাত্রায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করবেন। ফ্লোটিলার সক্রিয় সদস্য সুমেইরা আকদেনিজ ওর্ডু জানিয়েছেন, এই বহরে এক হাজারেরও বেশি চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী থাকবেন। শুধু তাই নয়, যুদ্ধাপরাধ তদন্তে সক্ষম বিশেষজ্ঞ এবং পরিবেশ-বান্ধব নির্মাণ শ্রমিকরাও এতে অন্তর্ভুক্ত থাকছেন। ঐতিহাসিক বার্সেলোনা বন্দর থেকে যাত্রার পর তিউনিসিয়া ও ইতালির মতো ভূমধ্যসাগরীয় বন্দরগুলোতে আরও অংশগ্রহণকারীরা যোগ দেবেন।

সমুদ্রপথের পাশাপাশি একটি বৃহৎ স্থলপথের কনভয় গঠনেরও পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই মানবিক মিশনের মাধ্যমে চিকিৎসা সামগ্রী, খাদ্য ও পুনর্বাসনের সরঞ্জাম পাঠানো হবে। সুমেইরা আকদেনিজ ওর্ডু মনে করেন, এই উদ্যোগ ফিলিস্তিনিদের নিজেদের হাতে দেশ পুনর্গঠনের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেবে, যা মূলত ‘ট্রাম্প পরিকল্পনার’ একটি কার্যকর বিকল্প হিসেবে কাজ করবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
হাজার হাজার চিকিৎসক ও তদন্তকারী নিয়ে গাজায় যাচ্ছে ‘গ্লোবাল সুমুদ’
ইসরায়েলি আগ্রাসনের মধ্যেই গাজার মানুষের পাশে দাঁড়াতে আগামী ২৯ মার্চ স্পেনের বার্সেলোনা থেকে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানবিক ত্রাণ বহর ‘গ্লোবাল সুমুদ’। এই মিশনের মাধ্যমে যুদ্ধ-বিধ্বস্ত অঞ্চলে জরুরি সাহায্য পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ থেকে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়।
এবারের এই সমুদ্র যাত্রায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করবেন। ফ্লোটিলার সক্রিয় সদস্য সুমেইরা আকদেনিজ ওর্ডু জানিয়েছেন, এই বহরে এক হাজারেরও বেশি চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী থাকবেন। শুধু তাই নয়, যুদ্ধাপরাধ তদন্তে সক্ষম বিশেষজ্ঞ এবং পরিবেশ-বান্ধব নির্মাণ শ্রমিকরাও এতে অন্তর্ভুক্ত থাকছেন। ঐতিহাসিক বার্সেলোনা বন্দর থেকে যাত্রার পর তিউনিসিয়া ও ইতালির মতো ভূমধ্যসাগরীয় বন্দরগুলোতে আরও অংশগ্রহণকারীরা যোগ দেবেন।

সমুদ্রপথের পাশাপাশি একটি বৃহৎ স্থলপথের কনভয় গঠনেরও পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই মানবিক মিশনের মাধ্যমে চিকিৎসা সামগ্রী, খাদ্য ও পুনর্বাসনের সরঞ্জাম পাঠানো হবে। সুমেইরা আকদেনিজ ওর্ডু মনে করেন, এই উদ্যোগ ফিলিস্তিনিদের নিজেদের হাতে দেশ পুনর্গঠনের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেবে, যা মূলত ‘ট্রাম্প পরিকল্পনার’ একটি কার্যকর বিকল্প হিসেবে কাজ করবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…