তাইওয়ান ইস্যুতে ট্রাম্পকে সতর্ক শি জিনপিং, চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে জোর প্রতিশ্রুতি
তাইওয়ান ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি সতর্ক করে দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। গত বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুই নেতার মধ্যে এক ফোনালাপে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দ্বীপটিতে অস্ত্র সরবরাহ নিয়ে ওয়াশিংটনকে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। শি জিনপিং এই বিষয়টিকে চীন-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন।
আলোচনাকালে শি জিনপিং তাইওয়ানকে চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করে জানান, বেইজিংকে দ্বীপটির সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষা করতেই হবে। গত ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের জন্য ১১ বিলিয়ন ডলারের একটি বড় অস্ত্র প্যাকেজ অনুমোদন করেছিল, যার প্রেক্ষিতে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হলো। এছাড়াও দুই নেতা ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ, ইরানের পরিস্থিতি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল ও গ্যাস আমদানির বিষয়েও মতবিনিময় করেছেন।

অপরদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প এই কথোপকথনকে ‘চমৎকার ও পূর্ণাঙ্গ’ বলে বর্ণনা করেছেন এবং শি জিনপিংয়ের সাথে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ককে অত্যন্ত ভালো বলে উল্লেখ করেছেন। আগামী এপ্রিলে চীন সফরের ব্যাপারে তিনি তার আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন। বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে বেইজিং এখন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০ মিলিয়ন টন সয়াবিন কেনার পরিকল্পনা করছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
তাইওয়ান ইস্যুতে ট্রাম্পকে সতর্ক শি জিনপিং, চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে জোর প্রতিশ্রুতি
তাইওয়ান ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি সতর্ক করে দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। গত বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুই নেতার মধ্যে এক ফোনালাপে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, দ্বীপটিতে অস্ত্র সরবরাহ নিয়ে ওয়াশিংটনকে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। শি জিনপিং এই বিষয়টিকে চীন-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন।
আলোচনাকালে শি জিনপিং তাইওয়ানকে চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করে জানান, বেইজিংকে দ্বীপটির সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষা করতেই হবে। গত ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের জন্য ১১ বিলিয়ন ডলারের একটি বড় অস্ত্র প্যাকেজ অনুমোদন করেছিল, যার প্রেক্ষিতে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হলো। এছাড়াও দুই নেতা ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ, ইরানের পরিস্থিতি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল ও গ্যাস আমদানির বিষয়েও মতবিনিময় করেছেন।

অপরদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প এই কথোপকথনকে ‘চমৎকার ও পূর্ণাঙ্গ’ বলে বর্ণনা করেছেন এবং শি জিনপিংয়ের সাথে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ককে অত্যন্ত ভালো বলে উল্লেখ করেছেন। আগামী এপ্রিলে চীন সফরের ব্যাপারে তিনি তার আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন। বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে বেইজিং এখন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২০ মিলিয়ন টন সয়াবিন কেনার পরিকল্পনা করছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…