হেলিকপ্টারের বিকল্প ‘পেগাসাস’: ইঞ্জিন বিকলেও নিরাপদ অবতরণ
হেলিকপ্টারের ব্যয়বহুল ও জটিল প্রযুক্তির বিকল্প হিসেবে ‘পেগাসাস’ নামের একটি আধুনিক জাইরোকপ্টার তৈরি করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এআরসি অ্যারোসিস্টেম। প্রায় ৬০ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া একটি নকশাকে ভিত্তি করে তৈরি এই বিমানটি উল্লম্বভাবে উড়ে ওঠা এবং অবতরণের ক্ষমতা রাখে। এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, মাঝ আকাশে ইঞ্জিন বিকল হলেও এটি বিধ্বস্ত না হয়ে নিরাপদে নিচে নামতে পারে, যা সাধারণ হেলিকপ্টারের ক্ষেত্রে অসম্ভব।
১৯৬০-এর দশকে অ্যাভ্রো কানাডার প্রকৌশলীদের তৈরি করা ‘অ্যাভিয়ান ২/১৮০’ জাইরোপ্লেনের আদলে এর নকশা সাজানো হয়েছে। প্রচলিত হেলিকপ্টারের মতো এর রটর ইঞ্জিন দ্বারা সরাসরি চালিত নয়, বরং বাতাসের প্রবাহে এটি ঘুরতে থাকে। এতে হাইব্রিড-ইলেকট্রিক ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে এবং একজন পাইলটসহ দুইজন যাত্রী বহনে সক্ষম এটি। প্রতিষ্ঠানটির সিইও ড. সাইয়েদ মোহসেনি জানিয়েছেন, গিয়ারবক্স না থাকায় এর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ অনেক কম এবং পরিচালনা ব্যয় মাত্র ৩০০ ডলার, যা হেলিকপ্টারের তুলনায় নগণ্য।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জরুরি চিকিৎসা সেবা বা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে। গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এরোস্পেস বিশেষজ্ঞ ড. ডগলাস থমসন এর নিরাপদ কাঠামোর প্রশংসা করলেও বড় আকারের যাত্রী পরিবহনে এর সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেছেন। তবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আশাবাদী যে, সাশ্রয়ী এই বিমানটি উড়োজাহাজ শিল্পে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
হেলিকপ্টারের বিকল্প ‘পেগাসাস’: ইঞ্জিন বিকলেও নিরাপদ অবতরণ
হেলিকপ্টারের ব্যয়বহুল ও জটিল প্রযুক্তির বিকল্প হিসেবে ‘পেগাসাস’ নামের একটি আধুনিক জাইরোকপ্টার তৈরি করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এআরসি অ্যারোসিস্টেম। প্রায় ৬০ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া একটি নকশাকে ভিত্তি করে তৈরি এই বিমানটি উল্লম্বভাবে উড়ে ওঠা এবং অবতরণের ক্ষমতা রাখে। এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, মাঝ আকাশে ইঞ্জিন বিকল হলেও এটি বিধ্বস্ত না হয়ে নিরাপদে নিচে নামতে পারে, যা সাধারণ হেলিকপ্টারের ক্ষেত্রে অসম্ভব।
১৯৬০-এর দশকে অ্যাভ্রো কানাডার প্রকৌশলীদের তৈরি করা ‘অ্যাভিয়ান ২/১৮০’ জাইরোপ্লেনের আদলে এর নকশা সাজানো হয়েছে। প্রচলিত হেলিকপ্টারের মতো এর রটর ইঞ্জিন দ্বারা সরাসরি চালিত নয়, বরং বাতাসের প্রবাহে এটি ঘুরতে থাকে। এতে হাইব্রিড-ইলেকট্রিক ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে এবং একজন পাইলটসহ দুইজন যাত্রী বহনে সক্ষম এটি। প্রতিষ্ঠানটির সিইও ড. সাইয়েদ মোহসেনি জানিয়েছেন, গিয়ারবক্স না থাকায় এর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ অনেক কম এবং পরিচালনা ব্যয় মাত্র ৩০০ ডলার, যা হেলিকপ্টারের তুলনায় নগণ্য।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জরুরি চিকিৎসা সেবা বা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে। গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এরোস্পেস বিশেষজ্ঞ ড. ডগলাস থমসন এর নিরাপদ কাঠামোর প্রশংসা করলেও বড় আকারের যাত্রী পরিবহনে এর সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেছেন। তবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আশাবাদী যে, সাশ্রয়ী এই বিমানটি উড়োজাহাজ শিল্পে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…