ড. ইউনূসের হাত ধরে বদলে যাওয়ার স্বপ্ন, হতাশায় ডুবছে প্রত্যাশা
গত বছর আগস্টে ছাত্র-জনতার বিপ্লবী আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটার পর, বিশৃঙ্খল রাষ্ট্রব্যবস্থাকে স্থিতিশীল করতে দায়িত্ব নেন নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রায় দশকখানেক পর অনুষ্ঠিতব্য সাধারণ নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার লাগাম হাতে তুলে নিলেও, সাধারণ মানুষের মধ্যে এখন ব্যাপক হতাশা ও ক্ষোভ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
রাজধানীর এক অটোরিকশা চালক রুবেল চাকলাদারের মতে, এক হাজার ৪০০-এরও বেশি মানুষের প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এই পরিবর্তনের সুযোগ আমরা হাতছাড়া করেছি। ড. ইউনূসকে স্বৈরাচার মোকাবিলা ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের কাজে সম্পূর্ণ সমর্থন না দেওয়ায় জুলাইয়ের বিপ্লবের স্বপ্ন অধরাই থেকে গেছে। সরকারি আমলাতন্ত্র ও বিভক্ত রাজনৈতিক দলগুলোর নানা দাবি ও অযোক্তিক আচরণের কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ নিতে পারেনি।

সামনের দিনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে ড. ইউনূসের শাসনামলের ইতি ঘটবে। তবে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন দানা বেঁধেছে, এই অস্থিরতার সময়টাই কি শেষ পর্যন্ত সুফল বয়ে আনবে, নাকি ক্ষমতার অপব্যবহার আর বিভেদের কবলে পড়ে দেশ আবারও পুরনো পথে ফিরে যাবে—সেই উত্তর এখন সময়ের অপেক্ষা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ড. ইউনূসের হাত ধরে বদলে যাওয়ার স্বপ্ন, হতাশায় ডুবছে প্রত্যাশা
গত বছর আগস্টে ছাত্র-জনতার বিপ্লবী আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটার পর, বিশৃঙ্খল রাষ্ট্রব্যবস্থাকে স্থিতিশীল করতে দায়িত্ব নেন নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রায় দশকখানেক পর অনুষ্ঠিতব্য সাধারণ নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার লাগাম হাতে তুলে নিলেও, সাধারণ মানুষের মধ্যে এখন ব্যাপক হতাশা ও ক্ষোভ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
রাজধানীর এক অটোরিকশা চালক রুবেল চাকলাদারের মতে, এক হাজার ৪০০-এরও বেশি মানুষের প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এই পরিবর্তনের সুযোগ আমরা হাতছাড়া করেছি। ড. ইউনূসকে স্বৈরাচার মোকাবিলা ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের কাজে সম্পূর্ণ সমর্থন না দেওয়ায় জুলাইয়ের বিপ্লবের স্বপ্ন অধরাই থেকে গেছে। সরকারি আমলাতন্ত্র ও বিভক্ত রাজনৈতিক দলগুলোর নানা দাবি ও অযোক্তিক আচরণের কারণে অন্তর্বর্তী সরকারের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ নিতে পারেনি।

সামনের দিনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে ড. ইউনূসের শাসনামলের ইতি ঘটবে। তবে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন দানা বেঁধেছে, এই অস্থিরতার সময়টাই কি শেষ পর্যন্ত সুফল বয়ে আনবে, নাকি ক্ষমতার অপব্যবহার আর বিভেদের কবলে পড়ে দেশ আবারও পুরনো পথে ফিরে যাবে—সেই উত্তর এখন সময়ের অপেক্ষা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…