ইউনূস সরকারের শেষ প্রস্তুতি: সংস্কার ও জনমনের হতাশার মিলনস্থল
এক দশকেরও বেশি সময় পর অনুষ্ঠিতব্য সুষ্ঠু নির্বাচনকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে। এই রাজনৈতিক রূপান্তরের মুহূর্তে সাধারণ মানুষের মনে ভর করেছে মিশ্র অনুভূতি। ঢাকার এক অটোরিকশা চালক রুবেল চাকলাদারের ভাষায়, ২০২৪ সালের আগস্টে স্বৈরশাসনের পতনের পর তৈরি হওয়া সুযোগটি বাংলাদেশিরা নষ্ট করেছে।
উল্লেখ্য, ছাত্র আন্দোলনের চাপে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। এক হাজার ৪০০-এরও বেশি মানুষের প্রাণহানির এই রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের পর ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকে সামাল দিতে ৮৫ বছর বয়সী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে তিনি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্ষমতার ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা এবং স্বৈরতন্ত্রের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সংস্কারের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেন।

তবে ৫০ বছর বয়সী রুবেল চাকলাদারের মতো অনেকেই মনে করছেন, বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ও রাজনৈতিক দলগুলোর কারণে ইউনূসের ১৮ মাসের শাসনামলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়নি। রুবেলের কণ্ঠে ক্ষোভের চেয়ে হতাশাই বেশি, ‘আমরা ড. ইউনূসকে ঠিকমতো কাজ করতে দেইনি। জুলাইয়ে মানুষ জীবন দিয়েছে—সবই বৃথা।’ আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে এই অস্বাভাবিক রাজনৈতিক অধ্যায়ের ইতি ঘটলেও সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—এই সুযোগ কি সত্যিই নষ্ট হয়ে গেল?
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ইউনূস সরকারের শেষ প্রস্তুতি: সংস্কার ও জনমনের হতাশার মিলনস্থল
এক দশকেরও বেশি সময় পর অনুষ্ঠিতব্য সুষ্ঠু নির্বাচনকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে। এই রাজনৈতিক রূপান্তরের মুহূর্তে সাধারণ মানুষের মনে ভর করেছে মিশ্র অনুভূতি। ঢাকার এক অটোরিকশা চালক রুবেল চাকলাদারের ভাষায়, ২০২৪ সালের আগস্টে স্বৈরশাসনের পতনের পর তৈরি হওয়া সুযোগটি বাংলাদেশিরা নষ্ট করেছে।
উল্লেখ্য, ছাত্র আন্দোলনের চাপে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। এক হাজার ৪০০-এরও বেশি মানুষের প্রাণহানির এই রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের পর ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকে সামাল দিতে ৮৫ বছর বয়সী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে তিনি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্ষমতার ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা এবং স্বৈরতন্ত্রের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সংস্কারের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেন।

তবে ৫০ বছর বয়সী রুবেল চাকলাদারের মতো অনেকেই মনে করছেন, বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ও রাজনৈতিক দলগুলোর কারণে ইউনূসের ১৮ মাসের শাসনামলে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়নি। রুবেলের কণ্ঠে ক্ষোভের চেয়ে হতাশাই বেশি, ‘আমরা ড. ইউনূসকে ঠিকমতো কাজ করতে দেইনি। জুলাইয়ে মানুষ জীবন দিয়েছে—সবই বৃথা।’ আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে এই অস্বাভাবিক রাজনৈতিক অধ্যায়ের ইতি ঘটলেও সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—এই সুযোগ কি সত্যিই নষ্ট হয়ে গেল?
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…