গাজায় যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৩, বেড়েছে উত্তেজনা
গাজার আকাশে ড্রোনের বিরামহীন উড়ান আর বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে ফের কেঁপে উঠলো উপত্যকা। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ঘোষিত ‘যুদ্ধবিরতি’ কার্যকর থাকার কথা থাকলেও গাজা শহরের আবাসিক এলাকাগুলোতে কোনো পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই তীব্র বোমাবর্ষণ চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। গত অক্টোবর থেকে চলা এই যুদ্ধবিরতির মধ্যে এটিই অন্যতম রক্তক্ষয়ী দিন, যেখানে নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে গাজাবাসীর মনে আর কোনো স্বস্তি নেই বরং আতঙ্ক আরও বাড়েছে।
সামরিক বাহিনীর দাবি, উত্তর গাজায় সীমান্তের ‘হলুদ রেখা’র কাছে তাদের এক রিজার্ভ অফিসার গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় জবাব দিতেই তারা সাঁজোয়া যান ও বিমান হামলা চালায়। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, এই অস্থিরতার মধ্যেই গত বুধবার রেড ক্রসের মাধ্যমে ৫৪ জনের মরদেহ এবং ৬৬টি বাক্সে মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গাজায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৫২০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর শুরু হওয়া এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত মোট ৭১ হাজার ৮০৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ইসরায়েলের এই কর্মকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেছে। ওলন্দাজ শহর দ্য হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) এই গণহত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলাটি এখন বিচারাধীন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
গাজায় যুদ্ধবিরতির মাঝেই ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৩, বেড়েছে উত্তেজনা
গাজার আকাশে ড্রোনের বিরামহীন উড়ান আর বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে ফের কেঁপে উঠলো উপত্যকা। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ঘোষিত ‘যুদ্ধবিরতি’ কার্যকর থাকার কথা থাকলেও গাজা শহরের আবাসিক এলাকাগুলোতে কোনো পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই তীব্র বোমাবর্ষণ চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। গত অক্টোবর থেকে চলা এই যুদ্ধবিরতির মধ্যে এটিই অন্যতম রক্তক্ষয়ী দিন, যেখানে নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে গাজাবাসীর মনে আর কোনো স্বস্তি নেই বরং আতঙ্ক আরও বাড়েছে।
সামরিক বাহিনীর দাবি, উত্তর গাজায় সীমান্তের ‘হলুদ রেখা’র কাছে তাদের এক রিজার্ভ অফিসার গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় জবাব দিতেই তারা সাঁজোয়া যান ও বিমান হামলা চালায়। তবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, এই অস্থিরতার মধ্যেই গত বুধবার রেড ক্রসের মাধ্যমে ৫৪ জনের মরদেহ এবং ৬৬টি বাক্সে মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গাজায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ৫২০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর শুরু হওয়া এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত মোট ৭১ হাজার ৮০৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ইসরায়েলের এই কর্মকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেছে। ওলন্দাজ শহর দ্য হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) এই গণহত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলাটি এখন বিচারাধীন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…