বহুদিনের বাধা পেরিয়ে ইরানে নারীদের মোটরসাইকেল চালানোর অনুমোদন
ইরানে নারীদের মোটরসাইকেল চালানোর আনুষ্ঠানিক অনুমতি দেওয়া হয়েছে। দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ ট্রাফিক আইনের ধোঁয়াশা দূর করতে একটি প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেছেন, যা গত জানুয়ারিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন পায়। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা আইনি জটিলতার অবসান ঘটলো এবং নারীরা এখন থেকে বৈধভাবে মোটরসাইকেল চালানোর লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এর আগে ইরানে আইনগতভাবে স্পষ্টভাবে নারীদের মোটরসাইকেল চালানো নিষিদ্ধ না থাকলেও, কর্তৃপক্ষ তাদের লাইসেন্স ইস্যু করত না। এই ধূসর অবস্থার কারণে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে নারীরাই আইনি জেরের শিকার হতেন, এমনকি তারা ভুক্তভোগী হলেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতো। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ট্রাফিক পুলিশ নারীদের প্রশিক্ষণ দেবে এবং পরীক্ষা নিয়ে তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করবে।

১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর থেকে ইরানে নারীরা বিভিন্ন সামাজিক বিধিনিষেধের মধ্যে ছিলেন। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশেষ করে ২০২২ সালে মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর দেশটিতে নারী অধিকার আন্দোলন ও পোশাকবিধির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বাড়ে। অর্থনৈতিক মন্দা ও সামাজিক অস্থিরতার মধ্যেই এই সিদ্ধান্তকে অনেকে নারীদের স্বাধীনতার পথে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
বহুদিনের বাধা পেরিয়ে ইরানে নারীদের মোটরসাইকেল চালানোর অনুমোদন
ইরানে নারীদের মোটরসাইকেল চালানোর আনুষ্ঠানিক অনুমতি দেওয়া হয়েছে। দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ ট্রাফিক আইনের ধোঁয়াশা দূর করতে একটি প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেছেন, যা গত জানুয়ারিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন পায়। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা আইনি জটিলতার অবসান ঘটলো এবং নারীরা এখন থেকে বৈধভাবে মোটরসাইকেল চালানোর লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এর আগে ইরানে আইনগতভাবে স্পষ্টভাবে নারীদের মোটরসাইকেল চালানো নিষিদ্ধ না থাকলেও, কর্তৃপক্ষ তাদের লাইসেন্স ইস্যু করত না। এই ধূসর অবস্থার কারণে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে নারীরাই আইনি জেরের শিকার হতেন, এমনকি তারা ভুক্তভোগী হলেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতো। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ট্রাফিক পুলিশ নারীদের প্রশিক্ষণ দেবে এবং পরীক্ষা নিয়ে তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করবে।

১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর থেকে ইরানে নারীরা বিভিন্ন সামাজিক বিধিনিষেধের মধ্যে ছিলেন। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশেষ করে ২০২২ সালে মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর দেশটিতে নারী অধিকার আন্দোলন ও পোশাকবিধির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বাড়ে। অর্থনৈতিক মন্দা ও সামাজিক অস্থিরতার মধ্যেই এই সিদ্ধান্তকে অনেকে নারীদের স্বাধীনতার পথে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…