ওমানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপ, সামরিক উত্তেজনা প্রশমনে নতুন উদ্যোগ
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে গোপন কূটনৈতিক আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে ওমানে দুই দেশের মধ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আপাতত আলোচনায় কোনো আঞ্চলিক শক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে না, যাতে এটি রাজনৈতিক প্রদর্শনীতে পরিণত না হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ দরকষাকষি সফল হয়।
২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির সময়কার চেয়ে বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেই সময় আলোচনা ছিল অস্ত্র নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রিক, কিন্তু ২০২৬ সালে এসে এই সংকট সামরিক রূপ ধারণ করেছে। এমতাবস্থায় আঞ্চলিক দেশগুলোর নিরাপত্তার স্বার্থে তারা সংঘাত নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী হলেও, প্রাথমিকভাবে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার কাঠামো স্থিতিশীল করতে চায় তেহরান।

সাম্প্রতিক সময়ে এ নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতাও লক্ষ্য করা গেছে। গত ৩০ জুন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি মস্কোয় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইস্তাম্বুল সফর করেন এবং সপ্তাহান্তে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান বিন জাসিম আল থানি তেহরান সফর করেন। লারিজানি জানিয়েছেন, একটি কাঠামোবদ্ধ আলোচনার রূপরেখা ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ওমানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপ, সামরিক উত্তেজনা প্রশমনে নতুন উদ্যোগ
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে গোপন কূটনৈতিক আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে ওমানে দুই দেশের মধ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আপাতত আলোচনায় কোনো আঞ্চলিক শক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে না, যাতে এটি রাজনৈতিক প্রদর্শনীতে পরিণত না হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ দরকষাকষি সফল হয়।
২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির সময়কার চেয়ে বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেই সময় আলোচনা ছিল অস্ত্র নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রিক, কিন্তু ২০২৬ সালে এসে এই সংকট সামরিক রূপ ধারণ করেছে। এমতাবস্থায় আঞ্চলিক দেশগুলোর নিরাপত্তার স্বার্থে তারা সংঘাত নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী হলেও, প্রাথমিকভাবে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার কাঠামো স্থিতিশীল করতে চায় তেহরান।

সাম্প্রতিক সময়ে এ নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতাও লক্ষ্য করা গেছে। গত ৩০ জুন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি মস্কোয় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইস্তাম্বুল সফর করেন এবং সপ্তাহান্তে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান বিন জাসিম আল থানি তেহরান সফর করেন। লারিজানি জানিয়েছেন, একটি কাঠামোবদ্ধ আলোচনার রূপরেখা ধীরে ধীরে স্পষ্ট হচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…