এপস্টেইন ফাইলস: শিকার নই, অপরাধী—বিস্ফোরক সব তথ্য প্রকাশ
মার্কিন বিচার বিভাগ সম্প্রতি জেফ্রি এপস্টেইনের বিরুদ্ধে প্রায় ৩০ লাখ নথি প্রকাশ করেছে, যা এই কুখ্যাত যৌন অপরাধীর বিতর্কিত জীবনের নানা অজানা দিক তুলে ধরেছে। নাবালিকাদের যৌন পাচারের দায়ে অভিযুক্ত এপস্টেইন অন্যদের ব্যবহার করে একটি বিশাল নেটওয়ার্ক পরিচালনা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জামিন ছাড়াই বিচারের অপেক্ষায় থাকাকালীন ২০১৯ সালের ১০ আগস্ট নিউইয়র্কের একটি কারাগারে রহস্যজনকভাবে তার মৃত্যু হয়।
প্রকাশিত বিভিন্ন ফুটেজ ও নথিতে এপস্টেইনকে তার অপরাধ নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য দিতে দেখা গেছে। ২০১১ সালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছিলেন, তিনি কোনো ‘যৌন শিকারি’ (sexual predator) নন বরং ‘যৌন অপরাধী’ (sex offender), এবং এই দুজনের মধ্যে তফাত আছে—ঠিক যেমন একজন খুনি এবং একজন বেগল চোরের মধ্যে তফাত থাকে। এছাড়াও নিজেকে ‘শয়তান’ মনে করেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি রহস্যময় স্বরে বলেছিলেন, ‘আমার কাছে একটা ভালো আয়না আছে’।

গত বছর নভেম্বরে মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষ ‘এপস্টেইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট’ অনুমোদন করে। পরবর্তীতে ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাক্ষরিত এক আইনের মাধ্যমে ১৯ ডিসেম্বরের মধ্যে এই সব নথি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়। গত ৩০ জানুয়ারি বিচার বিভাগ এই বিশাল তথ্যভাণ্ডার প্রকাশ করে, যা বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
এপস্টেইন ফাইলস: শিকার নই, অপরাধী—বিস্ফোরক সব তথ্য প্রকাশ
মার্কিন বিচার বিভাগ সম্প্রতি জেফ্রি এপস্টেইনের বিরুদ্ধে প্রায় ৩০ লাখ নথি প্রকাশ করেছে, যা এই কুখ্যাত যৌন অপরাধীর বিতর্কিত জীবনের নানা অজানা দিক তুলে ধরেছে। নাবালিকাদের যৌন পাচারের দায়ে অভিযুক্ত এপস্টেইন অন্যদের ব্যবহার করে একটি বিশাল নেটওয়ার্ক পরিচালনা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জামিন ছাড়াই বিচারের অপেক্ষায় থাকাকালীন ২০১৯ সালের ১০ আগস্ট নিউইয়র্কের একটি কারাগারে রহস্যজনকভাবে তার মৃত্যু হয়।
প্রকাশিত বিভিন্ন ফুটেজ ও নথিতে এপস্টেইনকে তার অপরাধ নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য দিতে দেখা গেছে। ২০১১ সালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছিলেন, তিনি কোনো ‘যৌন শিকারি’ (sexual predator) নন বরং ‘যৌন অপরাধী’ (sex offender), এবং এই দুজনের মধ্যে তফাত আছে—ঠিক যেমন একজন খুনি এবং একজন বেগল চোরের মধ্যে তফাত থাকে। এছাড়াও নিজেকে ‘শয়তান’ মনে করেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি রহস্যময় স্বরে বলেছিলেন, ‘আমার কাছে একটা ভালো আয়না আছে’।

গত বছর নভেম্বরে মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষ ‘এপস্টেইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট’ অনুমোদন করে। পরবর্তীতে ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বাক্ষরিত এক আইনের মাধ্যমে ১৯ ডিসেম্বরের মধ্যে এই সব নথি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়। গত ৩০ জানুয়ারি বিচার বিভাগ এই বিশাল তথ্যভাণ্ডার প্রকাশ করে, যা বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…