ড্রোন ভূপাতিত হওয়ার পরও ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র
আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনার টেবিলে বসতে যাচ্ছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি জানিয়েছেন, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে এই বৈঠক আয়োজনে ওমান, তুরস্কসহ কয়েকটি দেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ইরানের সাথে চলমান এই আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি মূল ইস্যু হিসেবে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। এমন সময় এই কূটনৈতিক পদক্ষেপ সামনে এলো, যখন সম্প্রতি মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। তবে এই ঘটনার পরেও হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসার পরিকল্পনা এখনো বহাল রয়েছে।

আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি তুরস্ক, কাতার ও ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে আলাদাভাবে কথা বলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। গত জানুয়ারি মাসে ইরানে পুলিশের সহিংস অভিযানে হাজারো বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই আলোচনাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ড্রোন ভূপাতিত হওয়ার পরও ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র
আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনার টেবিলে বসতে যাচ্ছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি জানিয়েছেন, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে এই বৈঠক আয়োজনে ওমান, তুরস্কসহ কয়েকটি দেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ইরানের সাথে চলমান এই আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি মূল ইস্যু হিসেবে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। এমন সময় এই কূটনৈতিক পদক্ষেপ সামনে এলো, যখন সম্প্রতি মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। তবে এই ঘটনার পরেও হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসার পরিকল্পনা এখনো বহাল রয়েছে।

আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি তুরস্ক, কাতার ও ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে আলাদাভাবে কথা বলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। গত জানুয়ারি মাসে ইরানে পুলিশের সহিংস অভিযানে হাজারো বিক্ষোভকারী নিহত ও আহত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই আলোচনাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…