এপস্টেইন বিতর্ক উপেক্ষা করেই আবারও ইসরায়েল সফরে যাচ্ছেন মোদী
যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের গোপন নথিতে নাম জড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ ও কঠোর সমালোচনা সত্ত্বেও চলতি মাসেই আবারও ইসরায়েল সফরে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণের ভিত্তিতে এই সফর আয়োজনের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির ভারতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার।
সম্প্রতি প্রকাশিত এপস্টেইনের নথিতে দাবি করা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করতে ইসরায়েলে গিয়ে নাচগানে অংশ নিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। এ নিয়ে ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করলেও তা পাত্তা দিচ্ছেন না নয়াদিল্লি। এরই মধ্যে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার জানান, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করতেই মোদীকে এই সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। প্রতিরক্ষা, সন্ত্রাস দমন, কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়ালও ইসরায়েল সফর করেছেন।
গত এক দশকে মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে ভারত ও ইসরায়েলের কৌশলগত সম্পর্ক ব্যাপকভাবে গভীর হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ইসরায়েল এখন ভারতের অন্যতম বড় সহযোগী। আঞ্চলিক রাজনীতিতে গাজা ইস্যুতে ইসরায়েলের প্রতি ভারতের এই নীরব সমর্থন ও অস্ত্র বাণিজ্য বৃদ্ধি বৈদেশিক নীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। এই পরিস্থিতিতে মোদীর সম্ভাব্য তেল আবিব সফর দুই দেশের জোটকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

