সৌদি সফরে এরদোগান, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় মধ্যস্থতার জল্পনা
দুই বছরের দীর্ঘ বিরতির পর সৌদি আরবে পৌঁছেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রিয়াদে আসেন তিনি। সফরের মূল আকর্ষণ হবে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে তার বৈঠক। এর আগে ২০২৩ সালে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনার জন্য সৌদি আরব গিয়েছিলেন এরদোগান।
এবারের সফরের নির্দিষ্ট কারণ অবশ্য স্পষ্ট করেনি আঙ্কারা বা রিয়াদ কোনো পক্ষই। তবে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা করবেন। এরদোগানের এই সফর বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে কারণ মাত্র কয়েক দিন পর অর্থাৎ ৬ ফেব্রুয়ারি তুরস্কে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

পারমাণবিক ইস্যুতে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। তেহরান পারমাণবিক আলোচনা পুনরায় শুরুর আহ্বান জানালেও ওয়াশিংটন সতর্ক করে দিয়েছে, কোনো সমাধানে না পৌঁছালে তা মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনবে। এ অবস্থায় উভয় পক্ষের মধ্যে সরাসরি সংঘাত এড়াতে কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছেন এরদোগান। সৌদি সফর শেষে তিনি মিশরের রাজধানী কায়রো যাবেন বলে জানা গেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
সৌদি সফরে এরদোগান, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় মধ্যস্থতার জল্পনা
দুই বছরের দীর্ঘ বিরতির পর সৌদি আরবে পৌঁছেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রিয়াদে আসেন তিনি। সফরের মূল আকর্ষণ হবে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে তার বৈঠক। এর আগে ২০২৩ সালে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনার জন্য সৌদি আরব গিয়েছিলেন এরদোগান।
এবারের সফরের নির্দিষ্ট কারণ অবশ্য স্পষ্ট করেনি আঙ্কারা বা রিয়াদ কোনো পক্ষই। তবে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, দুই নেতা দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা করবেন। এরদোগানের এই সফর বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে কারণ মাত্র কয়েক দিন পর অর্থাৎ ৬ ফেব্রুয়ারি তুরস্কে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

পারমাণবিক ইস্যুতে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। তেহরান পারমাণবিক আলোচনা পুনরায় শুরুর আহ্বান জানালেও ওয়াশিংটন সতর্ক করে দিয়েছে, কোনো সমাধানে না পৌঁছালে তা মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনবে। এ অবস্থায় উভয় পক্ষের মধ্যে সরাসরি সংঘাত এড়াতে কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছেন এরদোগান। সৌদি সফর শেষে তিনি মিশরের রাজধানী কায়রো যাবেন বলে জানা গেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…