গাদ্দাফির পুত্র সাইফ আল-ইসলাম আর নেই, মৃত্যু আলজেরিয়া সীমান্তে
লিবিয়ার সাবেক স্বৈরশাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পুত্র এবং রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে পরিচিত সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি মারা গেছেন। আলজেরিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। তার বোন একটি টিভি চ্যানেলের কাছে এই খবর নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া সাইফের রাজনৈতিক দলের প্রধানও তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১৯৭২ সালে জন্ম নেওয়া সাইফ আল-ইসলাম তার বাবার শাসনামলে পশ্চিমাদের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৯৬৯ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত লিবিয়া শাসন করেন মুয়াম্মার গাদ্দাফি। সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় সাইফের ভূমিকার কারণে তাকে জিনতান শহরের একটি মিলিশিয়া গোষ্ঠী প্রায় ছয় বছর আটকে রেখেছিল। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত তার বিরুদ্ধে ২০১১ সালের আন্দোলন দমনের অভিযোগ এনেছিল।

বাবার মৃত্যুর পর সাইফকেই লিবিয়ার রাজনীতিতে সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করা হতো। তবে ঠিক কীভাবে তিনি মারা গেছেন বা তার মৃত্যুর কারণ কী, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি। আফ্রিকার দেশটির সীমান্ত অঞ্চলে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
গাদ্দাফির পুত্র সাইফ আল-ইসলাম আর নেই, মৃত্যু আলজেরিয়া সীমান্তে
লিবিয়ার সাবেক স্বৈরশাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পুত্র এবং রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে পরিচিত সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি মারা গেছেন। আলজেরিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। তার বোন একটি টিভি চ্যানেলের কাছে এই খবর নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া সাইফের রাজনৈতিক দলের প্রধানও তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১৯৭২ সালে জন্ম নেওয়া সাইফ আল-ইসলাম তার বাবার শাসনামলে পশ্চিমাদের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ১৯৬৯ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত লিবিয়া শাসন করেন মুয়াম্মার গাদ্দাফি। সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় সাইফের ভূমিকার কারণে তাকে জিনতান শহরের একটি মিলিশিয়া গোষ্ঠী প্রায় ছয় বছর আটকে রেখেছিল। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত তার বিরুদ্ধে ২০১১ সালের আন্দোলন দমনের অভিযোগ এনেছিল।

বাবার মৃত্যুর পর সাইফকেই লিবিয়ার রাজনীতিতে সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করা হতো। তবে ঠিক কীভাবে তিনি মারা গেছেন বা তার মৃত্যুর কারণ কী, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি। আফ্রিকার দেশটির সীমান্ত অঞ্চলে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…