বিলুপ্তির পথে আফ্রিকান পেঙ্গুইন, মূল কারণ তীব্র খাদ্য সংকট
দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়ার উপকূলে বাঁচতে থাকা আফ্রিকান পেঙ্গুইনরা এখন বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে। ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) এদের ‘চরম বিপন্ন’ প্রজাতির তালিকাভুক্ত করেছে। বর্তমানে বন্য পরিবেশে এদের মোট প্রজননক্ষম জোড়ার সংখ্যা ১০ হাজারেরও নিচে নেমে এসেছে, যা তাদের অস্তিত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করেছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার পাখি সংরক্ষণ সংস্থা সানকব (SANCCOB) জানিয়েছে, তারা প্রতিদিনই অপুষ্টিতে ভোগা ও গুরুতর আহত অবস্থায় এই পেঙ্গুইনগুলোকে উদ্ধার করছেন। ১৯৬৮ সাল থেকে কাজ করা এই সংস্থার পুনর্বাসন ব্যবস্থাপক জেড সুকহু বলেন, বন্য পরিবেশে এই প্রাণীরা টিকে থাকার জন্য যে সংগ্রাম করছে তা অত্যন্ত কঠিন। দূষণ, আবাসস্থল ধ্বংস এবং খাদ্য সংকটের কারণে গত তিন দশকে তাদের সংখ্যা প্রায় ৮০ শতাংশ কমে গেছে।

সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার বন, মৎস্য ও পরিবেশ দপ্তর এবং যুক্তরাজ্যের এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০৪ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে শুধুমাত্র রবিন ও ডাসেন দ্বীপেই প্রায় ছয় হাজার পেঙ্গুইন অনাহারে মৃত্যুবরণ করেছে। এই দ্বীপগুলো ছিল তাদের অন্যতম প্রধান প্রজনন ক্ষেত্র। অনাহার ও খাদ্যসংকট এখন এই প্রজাতির মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
বিলুপ্তির পথে আফ্রিকান পেঙ্গুইন, মূল কারণ তীব্র খাদ্য সংকট
দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়ার উপকূলে বাঁচতে থাকা আফ্রিকান পেঙ্গুইনরা এখন বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে। ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) এদের ‘চরম বিপন্ন’ প্রজাতির তালিকাভুক্ত করেছে। বর্তমানে বন্য পরিবেশে এদের মোট প্রজননক্ষম জোড়ার সংখ্যা ১০ হাজারেরও নিচে নেমে এসেছে, যা তাদের অস্তিত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করেছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার পাখি সংরক্ষণ সংস্থা সানকব (SANCCOB) জানিয়েছে, তারা প্রতিদিনই অপুষ্টিতে ভোগা ও গুরুতর আহত অবস্থায় এই পেঙ্গুইনগুলোকে উদ্ধার করছেন। ১৯৬৮ সাল থেকে কাজ করা এই সংস্থার পুনর্বাসন ব্যবস্থাপক জেড সুকহু বলেন, বন্য পরিবেশে এই প্রাণীরা টিকে থাকার জন্য যে সংগ্রাম করছে তা অত্যন্ত কঠিন। দূষণ, আবাসস্থল ধ্বংস এবং খাদ্য সংকটের কারণে গত তিন দশকে তাদের সংখ্যা প্রায় ৮০ শতাংশ কমে গেছে।

সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার বন, মৎস্য ও পরিবেশ দপ্তর এবং যুক্তরাজ্যের এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০৪ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে শুধুমাত্র রবিন ও ডাসেন দ্বীপেই প্রায় ছয় হাজার পেঙ্গুইন অনাহারে মৃত্যুবরণ করেছে। এই দ্বীপগুলো ছিল তাদের অন্যতম প্রধান প্রজনন ক্ষেত্র। অনাহার ও খাদ্যসংকট এখন এই প্রজাতির মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…