অনাহারে বিপন্ন আফ্রিকান পেঙ্গুইন, আশঙ্কাজনক হারে কমছে সংখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী আফ্রিকান পেঙ্গুইনদের অস্তিত্ব আজ গভীর সংকটে। বর্তমানে বন্য পরিবেশে এদের প্রজননক্ষম জোড়ার সংখ্যা ১০ হাজারের ঘরে নেমে এসেছে। ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) এই প্রজাতিকে ‘চরম বিপন্ন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে, যা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
দীর্ঘদিন ধরে এই পাখি সংরক্ষণে কাজ করা সংস্থা সানকবের (SANCCOB) পুনর্বাসন ব্যবস্থাপক জেড সুকহু জানিয়েছেন, প্রতিদিনই গুরুতর আহত ও অপুষ্টিতে ভোগা পেঙ্গুইন তাদের কাছে উদ্ধার হচ্ছে। বন্য পরিবেশে চরম খাদ্য সংকটের কারণে এরা জীবন সংগ্রামে হেরে যাচ্ছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, গত তিন দশকে দূষণ, আবাসস্থল ধ্বংস ও খাদ্যের অপ্রতুলতার কারণে এই পেঙ্গুইনের সংখ্যা প্রায় ৮০ শতাংশ কমে গেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বন, মৎস্য ও পরিবেশ দপ্তর এবং যুক্তরাজ্যের এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণায় উঠে এসেছে যে, ২০০৪ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে রবিন ও ডাসেন দ্বীপে অনাহারে ছয় হাজারেরও বেশি পেঙ্গুইনের মৃত্যু হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
অনাহারে বিপন্ন আফ্রিকান পেঙ্গুইন, আশঙ্কাজনক হারে কমছে সংখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী আফ্রিকান পেঙ্গুইনদের অস্তিত্ব আজ গভীর সংকটে। বর্তমানে বন্য পরিবেশে এদের প্রজননক্ষম জোড়ার সংখ্যা ১০ হাজারের ঘরে নেমে এসেছে। ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) এই প্রজাতিকে ‘চরম বিপন্ন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে, যা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
দীর্ঘদিন ধরে এই পাখি সংরক্ষণে কাজ করা সংস্থা সানকবের (SANCCOB) পুনর্বাসন ব্যবস্থাপক জেড সুকহু জানিয়েছেন, প্রতিদিনই গুরুতর আহত ও অপুষ্টিতে ভোগা পেঙ্গুইন তাদের কাছে উদ্ধার হচ্ছে। বন্য পরিবেশে চরম খাদ্য সংকটের কারণে এরা জীবন সংগ্রামে হেরে যাচ্ছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, গত তিন দশকে দূষণ, আবাসস্থল ধ্বংস ও খাদ্যের অপ্রতুলতার কারণে এই পেঙ্গুইনের সংখ্যা প্রায় ৮০ শতাংশ কমে গেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বন, মৎস্য ও পরিবেশ দপ্তর এবং যুক্তরাজ্যের এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণায় উঠে এসেছে যে, ২০০৪ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে রবিন ও ডাসেন দ্বীপে অনাহারে ছয় হাজারেরও বেশি পেঙ্গুইনের মৃত্যু হয়েছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…