মধ্যস্থতা নয়, দক্ষিণ এশিয়ায় বাণিজ্য-কূটনীতিতে নতুন জোর রাশিয়ার
মস্কো স্পষ্ট জানিয়েছে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা কমাতে তারা সরাসরি কোনো মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে না। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো চাইলে সমস্যা সমাধানে তারা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। এক্ষেত্রে শিমলা চুক্তি ও লাহোর ঘোষণার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে দেশটি।
এদিকে, পাকিস্তানের সাথে নিজেদের সম্পর্ক জোরদার করছে রাশিয়া। ২০২৫ সালে এসসিও সম্মেলনের ফাঁকে ভ্লাদিমির পুতিন এবং শাহবাজ শরিফের মধ্যে যে বৈঠক হয়েছিল, তা দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বের ইঙ্গিত দেয়। এছাড়াও আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত একটি দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক রোডম্যাপ গ্রহণ করতে যাচ্ছে মস্কো ও ইসলামাবাদ। এরই মধ্যে দুই পক্ষ বাণিজ্য ও প্রযুক্তি খাতে দশম আন্তঃসরকারি বৈঠক সম্পন্ন করেছে।

বাণিজ্যিক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে করাচি মেটালার্জিক্যাল প্ল্যান্টের আধুনিকায়ন, ওষুধ শিল্পে যৌথ বিনিয়োগ এবং উত্তর-দক্ষিণ পরিবহন করিডোর চালুর বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। এছাড়া পাকিস্তানের তেল-গ্যাস খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে রুশ প্রতিষ্ঠানগুলো। তাতারস্তান ও প্রিমোরস্কির মতো অঞ্চলগুলোর সাথে পাকিস্তানি প্রদেশগুলোর সরাসরি বাণিজ্যিক যোগাযোগ স্থাপন এই সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
মধ্যস্থতা নয়, দক্ষিণ এশিয়ায় বাণিজ্য-কূটনীতিতে নতুন জোর রাশিয়ার
মস্কো স্পষ্ট জানিয়েছে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার চলমান উত্তেজনা কমাতে তারা সরাসরি কোনো মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে না। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো চাইলে সমস্যা সমাধানে তারা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। এক্ষেত্রে শিমলা চুক্তি ও লাহোর ঘোষণার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে দেশটি।
এদিকে, পাকিস্তানের সাথে নিজেদের সম্পর্ক জোরদার করছে রাশিয়া। ২০২৫ সালে এসসিও সম্মেলনের ফাঁকে ভ্লাদিমির পুতিন এবং শাহবাজ শরিফের মধ্যে যে বৈঠক হয়েছিল, তা দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বের ইঙ্গিত দেয়। এছাড়াও আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত একটি দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক রোডম্যাপ গ্রহণ করতে যাচ্ছে মস্কো ও ইসলামাবাদ। এরই মধ্যে দুই পক্ষ বাণিজ্য ও প্রযুক্তি খাতে দশম আন্তঃসরকারি বৈঠক সম্পন্ন করেছে।

বাণিজ্যিক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে করাচি মেটালার্জিক্যাল প্ল্যান্টের আধুনিকায়ন, ওষুধ শিল্পে যৌথ বিনিয়োগ এবং উত্তর-দক্ষিণ পরিবহন করিডোর চালুর বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। এছাড়া পাকিস্তানের তেল-গ্যাস খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে রুশ প্রতিষ্ঠানগুলো। তাতারস্তান ও প্রিমোরস্কির মতো অঞ্চলগুলোর সাথে পাকিস্তানি প্রদেশগুলোর সরাসরি বাণিজ্যিক যোগাযোগ স্থাপন এই সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…