চীন ঠেকাতে ভারতকে সামনে রেখে বড় কৌশল নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ফেব্রুয়ারিতে শুনানি
চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় ভারতকে সামনে রেখে এবার বড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্র-চীন অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা পর্যালোচনা কমিশনের প্রথম প্রকাশ্য শুনানিতে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শক্তির ভারসাম্য এবং নয়াদিল্লির কৌশলগত গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
এই শুনানিতে সীমান্ত সংঘাত, ভারত মহাসাগরে নৌ-অধিকার এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সেমিকন্ডাক্টরের মতো সংবেদনশীল খাতে ভারতের স্বাধীনতা যাচাই করা হবে। গালওয়ান সংঘর্ষের পর চার বছর টানটান উত্তেজনার অবসান ঘটিয়ে সম্প্রতি ব্রিকস সম্মেলনে নরেন্দ্র মোদী ও শি জিনপিংয়ের বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পথে এগিয়েছে, যা নিয়ে ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক মহলে এক ধরনের সতর্কতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

গত এক দশক ধরে ভারতের ভৌগোলিক অবস্থান ও সামরিক সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে চীনকে প্রতিহত করতে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে চীনের সাথে ভারতের অর্থনীতির ওপর নির্ভরতা কমানোর প্রচেষ্টা এবং বেইজিংয়ের সাথে ধীরে ধীরে সম্পর্ক উন্নয়নের পথে হাঁটা ওয়াশিংটনের এই কৌশলগত সমীকরণে নতুন করে ভাবনার জন্ম দিয়েছে। নয়াদিল্লি স্পষ্ট জানিয়েছে, সীমান্তে শান্তি ফিরলেই কেবল অর্থনৈতিক সম্পর্ক পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
চীন ঠেকাতে ভারতকে সামনে রেখে বড় কৌশল নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ফেব্রুয়ারিতে শুনানি
চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় ভারতকে সামনে রেখে এবার বড় কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্র-চীন অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা পর্যালোচনা কমিশনের প্রথম প্রকাশ্য শুনানিতে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শক্তির ভারসাম্য এবং নয়াদিল্লির কৌশলগত গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
এই শুনানিতে সীমান্ত সংঘাত, ভারত মহাসাগরে নৌ-অধিকার এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সেমিকন্ডাক্টরের মতো সংবেদনশীল খাতে ভারতের স্বাধীনতা যাচাই করা হবে। গালওয়ান সংঘর্ষের পর চার বছর টানটান উত্তেজনার অবসান ঘটিয়ে সম্প্রতি ব্রিকস সম্মেলনে নরেন্দ্র মোদী ও শি জিনপিংয়ের বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পথে এগিয়েছে, যা নিয়ে ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক মহলে এক ধরনের সতর্কতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

গত এক দশক ধরে ভারতের ভৌগোলিক অবস্থান ও সামরিক সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে চীনকে প্রতিহত করতে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে চীনের সাথে ভারতের অর্থনীতির ওপর নির্ভরতা কমানোর প্রচেষ্টা এবং বেইজিংয়ের সাথে ধীরে ধীরে সম্পর্ক উন্নয়নের পথে হাঁটা ওয়াশিংটনের এই কৌশলগত সমীকরণে নতুন করে ভাবনার জন্ম দিয়েছে। নয়াদিল্লি স্পষ্ট জানিয়েছে, সীমান্তে শান্তি ফিরলেই কেবল অর্থনৈতিক সম্পর্ক পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…