বাংলাদেশি-রোহিঙ্গা শনাক্তে এআই ব্যবহার করবে মহারাষ্ট্র
অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করতে এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির সাহায্য নিতে যাচ্ছে ভারতের মহারাষ্ট্র প্রশাসন। সম্প্রতি এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী দেভেন্দ্র ফডনবীশ জানিয়েছেন, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (আইআইটি) সহযোগিতায় এমন একটি প্রযুক্তি তৈরি করা হচ্ছে যা রাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের সন্ধান দিতে সক্ষম হবে। এরই মধ্যে ওই টুলটি ৬০ শতাংশ নির্ভুলভাবে কাজ করছে বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই এআই টুলটি তৈরির ক্ষেত্রে বয়স, পোশাক-আশাক, চালচলন, ভৌগোলিক অবস্থান এবং ভাষাগত বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে তথ্য ফিড করা হচ্ছে। কলকাতার এআই বিশেষজ্ঞ জয়দীপ দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, একজন বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সাধারণত কেমন দেখতে হন, তারা কীভাবে কথা বলেন এবং কোন ধরনের পোশাক পরেন—এসব তথ্য দিয়ে মডেলটি শেখানো হচ্ছে। তবে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে কাউকে শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব বলেই মনে করছেন অনেকে।

এই উদ্যোগের সমালোচনা করে নাগরিকত্ব বিষয়ক গবেষক প্রসেনজিৎ বসু প্রশ্ন তুলেছেন, কোটি কোটি টাকা খরচ করে ভোটার তালিকা সংশোধন করলেও তেমন কোনো ফলাফল মেলেনি, তবে কেন এআই প্রযুক্তির পেছনে ছোটাছুটি করা হচ্ছে। এসআইআর বা বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমেও যখন তালিকা শুদ্ধ করা সম্ভব হয়নি, তখন এআই-এর মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষকে চিহ্নিত করার পরিকল্পনাকে মিথ্যাচার বলেই মনে করছেন তিনি।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
বাংলাদেশি-রোহিঙ্গা শনাক্তে এআই ব্যবহার করবে মহারাষ্ট্র
অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করতে এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির সাহায্য নিতে যাচ্ছে ভারতের মহারাষ্ট্র প্রশাসন। সম্প্রতি এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী দেভেন্দ্র ফডনবীশ জানিয়েছেন, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (আইআইটি) সহযোগিতায় এমন একটি প্রযুক্তি তৈরি করা হচ্ছে যা রাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের সন্ধান দিতে সক্ষম হবে। এরই মধ্যে ওই টুলটি ৬০ শতাংশ নির্ভুলভাবে কাজ করছে বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই এআই টুলটি তৈরির ক্ষেত্রে বয়স, পোশাক-আশাক, চালচলন, ভৌগোলিক অবস্থান এবং ভাষাগত বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে তথ্য ফিড করা হচ্ছে। কলকাতার এআই বিশেষজ্ঞ জয়দীপ দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, একজন বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সাধারণত কেমন দেখতে হন, তারা কীভাবে কথা বলেন এবং কোন ধরনের পোশাক পরেন—এসব তথ্য দিয়ে মডেলটি শেখানো হচ্ছে। তবে এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে কাউকে শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব বলেই মনে করছেন অনেকে।

এই উদ্যোগের সমালোচনা করে নাগরিকত্ব বিষয়ক গবেষক প্রসেনজিৎ বসু প্রশ্ন তুলেছেন, কোটি কোটি টাকা খরচ করে ভোটার তালিকা সংশোধন করলেও তেমন কোনো ফলাফল মেলেনি, তবে কেন এআই প্রযুক্তির পেছনে ছোটাছুটি করা হচ্ছে। এসআইআর বা বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমেও যখন তালিকা শুদ্ধ করা সম্ভব হয়নি, তখন এআই-এর মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষকে চিহ্নিত করার পরিকল্পনাকে মিথ্যাচার বলেই মনে করছেন তিনি।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…