নতুন নথিতে ফাঁস: কাবার পবিত্র গিলাফ পেয়েছিলেন যৌন অপরাধী এপস্টেইন
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রকাশিত নথিতে জানা গেছে, ২০১৭ সালের মার্চে একজন আমিরাতি নারীর সহযোগিতায় পবিত্র কাবার গিলাফের কাপড় কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের বাসভবনে পাঠানো হয়। মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এই ধর্মীয় নিদর্শন একজন দণ্ডিত অপরাধীর কাছে পৌঁছানোর ঘটনাটি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ওই সময় এপস্টেইন ইতিমধ্যেই যৌন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ছিলেন।
চালানের নথি অনুসারে, এপস্টেইনের কাছে তিন ধরনের কাপড় পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল কাবার অভ্যন্তরীণ অংশের কাপড়, ব্যবহৃত বাইরের গিলাফের কিছু অংশ এবং একটি অব্যবহৃত কাপড়। ওই অব্যবহৃত কাপড়টিকে নথিতে ‘শিল্পকর্ম’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতি বছর হজের সময় কাবা শরিফের গিলাফ বদলানো হয় এবং পুরনো গিলাফের অংশগুলো সম্মানের সাথে সংরক্ষণ করা হয়, যা মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান বলে বিবেচিত হয়।

তবে এই আমিরাতি নারীর সঙ্গে এপস্টেইনের সম্পর্কের ধরন এবং কেন এই পবিত্র বস্তু তার কাছে পাঠানো হলো, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য নথিতে পাওয়া যায়নি। এমনকি ওই নারী এপস্টেইনের ব্যক্তিগত দ্বীপে গিয়েছিলেন কি না, যেখানে তার যৌন পাচারের মূল কার্যক্রম পরিচালিত হতো, তাও জানা যায়নি। সামগ্রিকভাবে এই ঘটনা এপস্টেইনের রহস্যময় জীবনযাপন এবং তার সম্পর্কের জালের আরও একটি নতুন দিক উন্মোচন করল।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
নতুন নথিতে ফাঁস: কাবার পবিত্র গিলাফ পেয়েছিলেন যৌন অপরাধী এপস্টেইন
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের প্রকাশিত নথিতে জানা গেছে, ২০১৭ সালের মার্চে একজন আমিরাতি নারীর সহযোগিতায় পবিত্র কাবার গিলাফের কাপড় কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের বাসভবনে পাঠানো হয়। মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এই ধর্মীয় নিদর্শন একজন দণ্ডিত অপরাধীর কাছে পৌঁছানোর ঘটনাটি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ওই সময় এপস্টেইন ইতিমধ্যেই যৌন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ছিলেন।
চালানের নথি অনুসারে, এপস্টেইনের কাছে তিন ধরনের কাপড় পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল কাবার অভ্যন্তরীণ অংশের কাপড়, ব্যবহৃত বাইরের গিলাফের কিছু অংশ এবং একটি অব্যবহৃত কাপড়। ওই অব্যবহৃত কাপড়টিকে নথিতে ‘শিল্পকর্ম’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতি বছর হজের সময় কাবা শরিফের গিলাফ বদলানো হয় এবং পুরনো গিলাফের অংশগুলো সম্মানের সাথে সংরক্ষণ করা হয়, যা মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান বলে বিবেচিত হয়।

তবে এই আমিরাতি নারীর সঙ্গে এপস্টেইনের সম্পর্কের ধরন এবং কেন এই পবিত্র বস্তু তার কাছে পাঠানো হলো, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য নথিতে পাওয়া যায়নি। এমনকি ওই নারী এপস্টেইনের ব্যক্তিগত দ্বীপে গিয়েছিলেন কি না, যেখানে তার যৌন পাচারের মূল কার্যক্রম পরিচালিত হতো, তাও জানা যায়নি। সামগ্রিকভাবে এই ঘটনা এপস্টেইনের রহস্যময় জীবনযাপন এবং তার সম্পর্কের জালের আরও একটি নতুন দিক উন্মোচন করল।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…