খামেনির যুদ্ধের হুঁশিয়ারি, চুক্তির আশায় ট্রাম্প
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সামরিক হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করেই তেহরানের সঙ্গে সম্ভাব্য একটি সমঝোতার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খামেনি সম্প্রতি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, আমেরিকা যদি ইরানের বিরুদ্ধে কোনো হামলা চালায়, তবে তা পুরো অঞ্চলে এক বিধ্বংসী যুদ্ধের সূচনা করবে। এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেও রোববার সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, তিনি আশা করছেন দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হতে পারে।
ইরানে সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও সেখানকার নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাকযুদ্ধ তীব্র আকার ধারণ করেছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা ওই বিক্ষোভকে ‘ষড়যন্ত্র’ বা ‘ক্যু’ হিসেবে অভিহিত করে অভিযোগ করেছেন যে, বিক্ষোভকারীরা ব্যাংক, মসজিদ, পুলিশ স্টেশনে হামলা চালিয়েছে এবং এমনকি পবিত্র কোরআন পুড়িয়েছে। এর আগে বিক্ষোভ দমনে ইরানের পদক্ষেপের জেরে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। খামেনির এই ‘ষড়যন্ত্র’ তত্ত্বের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট শুধু বলেন, ‘অবশ্যই তিনি এমনটাই বলবেন।’
জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয়ের প্রতিবাদে ইরানে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তা ধীরে ধীরে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। তেহরানের দাবি, এই অস্থিরতার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের উসকানি রয়েছে। যদিও কূটনৈতিক সমাধানের পথে হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প, তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, চুক্তি না হলে সময়ই বলে দেবে কার অনুমান ছিল সঠিক।

