যুদ্ধের আশঙ্কায় ইরানিরা: ঘরে খাবার মজুদ, বাড়ছে উদ্বেগ
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার গুজবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে ইরানের সাধারণ মানুষ। গত শুক্রবার থেকে দেশটিতে ছড়িয়ে পড়া এই আতঙ্কের কারণে মানুষ জানালা বন্ধ করে দিচ্ছেন এবং দীর্ঘদিনের প্রয়োজনীয় খাবার ও পানি মজুদ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। যদিও সরকারি পর্যায়ে আলোচনার কথা বলা হচ্ছে, তবুও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বহরের উপস্থিতি এবং ইসরাইলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার কারণে ইরানিরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তেহরানের বাসিন্দাদের মধ্যে এই ভয় সবচেয়ে প্রকট। ৪৩ বছর বয়সী এক প্রকৌশলী জানান, তিনি সারারাত ঘুমাতে পারেননি, কখন আক্রমণ হবে সেই আতঙ্কে বারবার জেগে উঠছিলেন এবং বিস্ফোরণের শব্দ শোনার জন্য কান পাতছিলেন। অন্যদিকে শোহরেহ নামের একজন বলেন, সরকারের গুম-খুনের প্রতিক্রিয়ায় মানুষ এতটাই হতাশ যে, তারা মার্কিন হামলাকে সমাধান ভাবছেন, যা বাস্তবে তাদের আরও বিপদে ফেলতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন হামলা থেকে বাঁচার নানা পরামর্শ ভাইরাল হচ্ছে। ৩২ বছর বয়সী সরকারি কর্মচারী আরজু জানান, মানুষ এখন চুপচাপ প্রস্তুতি নিচ্ছে—কেউ জানালা বন্ধ করছে, আবার কেউ ১০ দিনের খাবার ও ওষুধ সংরক্ষণ করছেন। একইসঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা প্রায় ৪০ লাখ ইরানি প্রবাসীও দেশের স্বজনদের নিয়ে গভীর উদ্বেগে রয়েছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
যুদ্ধের আশঙ্কায় ইরানিরা: ঘরে খাবার মজুদ, বাড়ছে উদ্বেগ
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার গুজবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে ইরানের সাধারণ মানুষ। গত শুক্রবার থেকে দেশটিতে ছড়িয়ে পড়া এই আতঙ্কের কারণে মানুষ জানালা বন্ধ করে দিচ্ছেন এবং দীর্ঘদিনের প্রয়োজনীয় খাবার ও পানি মজুদ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। যদিও সরকারি পর্যায়ে আলোচনার কথা বলা হচ্ছে, তবুও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বহরের উপস্থিতি এবং ইসরাইলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার কারণে ইরানিরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তেহরানের বাসিন্দাদের মধ্যে এই ভয় সবচেয়ে প্রকট। ৪৩ বছর বয়সী এক প্রকৌশলী জানান, তিনি সারারাত ঘুমাতে পারেননি, কখন আক্রমণ হবে সেই আতঙ্কে বারবার জেগে উঠছিলেন এবং বিস্ফোরণের শব্দ শোনার জন্য কান পাতছিলেন। অন্যদিকে শোহরেহ নামের একজন বলেন, সরকারের গুম-খুনের প্রতিক্রিয়ায় মানুষ এতটাই হতাশ যে, তারা মার্কিন হামলাকে সমাধান ভাবছেন, যা বাস্তবে তাদের আরও বিপদে ফেলতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন হামলা থেকে বাঁচার নানা পরামর্শ ভাইরাল হচ্ছে। ৩২ বছর বয়সী সরকারি কর্মচারী আরজু জানান, মানুষ এখন চুপচাপ প্রস্তুতি নিচ্ছে—কেউ জানালা বন্ধ করছে, আবার কেউ ১০ দিনের খাবার ও ওষুধ সংরক্ষণ করছেন। একইসঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা প্রায় ৪০ লাখ ইরানি প্রবাসীও দেশের স্বজনদের নিয়ে গভীর উদ্বেগে রয়েছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…