যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ভয়ে আতঙ্কে ইরান, খাবার মজুদে ব্যস্ততা
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার গুঞ্জনে গত শুক্রবার থেকেই আতঙ্কিত ইরানের সাধারণ মানুষ। ওয়াশিংটনের যুদ্বংকের দামামার মধ্যে দেশটির জনগণ এখন ঘরে অবস্থান করছেন এবং জরুরি প্রয়োজনীয় খাবারদ্রব্য ও পানি মজুদ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। সরকারি আলোচনার প্রস্তাব থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতি এবং অতীতের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা তাদের এই প্রস্তুতিতে ঝুঁকে দিয়েছে।
রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, রাতের বেলা ঘুম হারাম হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের। ৪৩ বছর বয়সী এক প্রকৌশলী জানান, আকাশে হামলার শব্দ শোনার জন্য তিনি রাতভর জেগে ছিলেন। আরেক সরকারি কর্মচারী আরজু বলেন, আশপাশের মানুষ এখন জানালা শক্ত করে বন্ধ করে রাখছেন। বোমা হামলার সময় শাসক বা বিরোধী কারো মধ্যে পার্থক্য থাকে না—এই আশঙ্কাতেই সবাই এখন নিরাপদ আশ্রয় বা স্থান নির্ধারণে ব্যস্ত।

দীর্ঘ সময় ইন্টারনেট বন্ধ থাকার পর সেটি যখন চালু হয়েছে, তখন সেখানে হিট জিঙ্কার মতো হড়কাচ্ছে বেঁচে থাকার নানা পরামর্শ। কীভাবে ১০ দিনের খাবার মজুদ রাখা যায়, বিস্ফোরণের সময় দেওয়ালের পাশে মাটিতে শুয়ে পড়তে হয়—এমন সব নির্দেশনা এখন ফারসি ভাষার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ভাসছে। দেশের অভ্যন্তরে এই আতঙ্ক যেমন আছে, তেমনি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ৪০ লাখ প্রবাসী ইরানিরাও স্বজনদের নিরাপত্তা এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ভয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ভয়ে আতঙ্কে ইরান, খাবার মজুদে ব্যস্ততা
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার গুঞ্জনে গত শুক্রবার থেকেই আতঙ্কিত ইরানের সাধারণ মানুষ। ওয়াশিংটনের যুদ্বংকের দামামার মধ্যে দেশটির জনগণ এখন ঘরে অবস্থান করছেন এবং জরুরি প্রয়োজনীয় খাবারদ্রব্য ও পানি মজুদ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। সরকারি আলোচনার প্রস্তাব থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতি এবং অতীতের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা তাদের এই প্রস্তুতিতে ঝুঁকে দিয়েছে।
রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, রাতের বেলা ঘুম হারাম হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের। ৪৩ বছর বয়সী এক প্রকৌশলী জানান, আকাশে হামলার শব্দ শোনার জন্য তিনি রাতভর জেগে ছিলেন। আরেক সরকারি কর্মচারী আরজু বলেন, আশপাশের মানুষ এখন জানালা শক্ত করে বন্ধ করে রাখছেন। বোমা হামলার সময় শাসক বা বিরোধী কারো মধ্যে পার্থক্য থাকে না—এই আশঙ্কাতেই সবাই এখন নিরাপদ আশ্রয় বা স্থান নির্ধারণে ব্যস্ত।

দীর্ঘ সময় ইন্টারনেট বন্ধ থাকার পর সেটি যখন চালু হয়েছে, তখন সেখানে হিট জিঙ্কার মতো হড়কাচ্ছে বেঁচে থাকার নানা পরামর্শ। কীভাবে ১০ দিনের খাবার মজুদ রাখা যায়, বিস্ফোরণের সময় দেওয়ালের পাশে মাটিতে শুয়ে পড়তে হয়—এমন সব নির্দেশনা এখন ফারসি ভাষার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ভাসছে। দেশের অভ্যন্তরে এই আতঙ্ক যেমন আছে, তেমনি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ৪০ লাখ প্রবাসী ইরানিরাও স্বজনদের নিরাপত্তা এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ভয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…