যুদ্ধের আশঙ্কায় ইরান: ঘরে খাবার মজুদ, বাড়ছে উদ্বেগ
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার গুজবে ইরানজুড়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারি পর্যায়ে আলোচনার কথা থাকলেও, সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। আকস্মিক আক্রমণের আশঙ্কায় দেশটির মানুষ বাড়ির জানালা শক্ত করে বন্ধ করছেন এবং দীর্ঘদিনের প্রয়োজনীয় খাবার ও পানি মজুদ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
ইন্টারনেট সেবা ফের চালু হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে বোমা হামলা থেকে বাঁচার নানা পরামর্শ ঘুরে বেড়াচ্ছে। ১০ দিনের খাবার সংরক্ষণ, প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং দ্রুত ঘর ছাড়ার উপায়—এসব নির্দেশনা এখন সবার কাছে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বহর জমা হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও মানসিক চাপ বেড়েছে বহুগুণ।

তেহরানের এক ৪৩ বছর বয়সী প্রকৌশলী জানান, তিনি রাতভর জেগে বিস্ফোরণের শব্দ শোনার অপেক্ষা করেছেন। সরকারি চাকরিজীবী আরজু বলেন, মানুষ এখন নীরবে উদ্বিগ্ন এবং তার প্রতিবেশী ভয়ে জানালা বন্ধ করে দিয়েছেন। অন্যদিকে শোহরেহ নামে এক নারী মনে করেন, সরকারের গুম-খুনের প্রতিক্রিয়ায় মানুষ এখন কোনটা শান্তি আর কোনটা বিপদ তা বুঝতে পারছেন না।
দেশের অভ্যন্তরের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা প্রায় ৪০ লাখ ইরানি প্রবাসীও একই আশঙ্কায় আছেন। তারা আত্মীয়স্বজনের সাথে যোগাযোগ হারানোর ভয়ে ভুগছেন। যুদ্ধ লাগলে ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যেতে পারে—এই আতঙ্ক তাদেরও গ্রাস করেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
যুদ্ধের আশঙ্কায় ইরান: ঘরে খাবার মজুদ, বাড়ছে উদ্বেগ
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার গুজবে ইরানজুড়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারি পর্যায়ে আলোচনার কথা থাকলেও, সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। আকস্মিক আক্রমণের আশঙ্কায় দেশটির মানুষ বাড়ির জানালা শক্ত করে বন্ধ করছেন এবং দীর্ঘদিনের প্রয়োজনীয় খাবার ও পানি মজুদ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
ইন্টারনেট সেবা ফের চালু হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে বোমা হামলা থেকে বাঁচার নানা পরামর্শ ঘুরে বেড়াচ্ছে। ১০ দিনের খাবার সংরক্ষণ, প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং দ্রুত ঘর ছাড়ার উপায়—এসব নির্দেশনা এখন সবার কাছে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বহর জমা হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও মানসিক চাপ বেড়েছে বহুগুণ।

তেহরানের এক ৪৩ বছর বয়সী প্রকৌশলী জানান, তিনি রাতভর জেগে বিস্ফোরণের শব্দ শোনার অপেক্ষা করেছেন। সরকারি চাকরিজীবী আরজু বলেন, মানুষ এখন নীরবে উদ্বিগ্ন এবং তার প্রতিবেশী ভয়ে জানালা বন্ধ করে দিয়েছেন। অন্যদিকে শোহরেহ নামে এক নারী মনে করেন, সরকারের গুম-খুনের প্রতিক্রিয়ায় মানুষ এখন কোনটা শান্তি আর কোনটা বিপদ তা বুঝতে পারছেন না।
দেশের অভ্যন্তরের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা প্রায় ৪০ লাখ ইরানি প্রবাসীও একই আশঙ্কায় আছেন। তারা আত্মীয়স্বজনের সাথে যোগাযোগ হারানোর ভয়ে ভুগছেন। যুদ্ধ লাগলে ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে যেতে পারে—এই আতঙ্ক তাদেরও গ্রাস করেছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…