যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আশঙ্কায় ইরানজুড়ে খাবার মজুদের হিড়িক
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার আশঙ্কায় ইরানজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গত শুক্রবার থেকে চলা এই গুজবের প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষ ঘরে জরুরি খাবার ও পানি মজুদ করা শুরু করেছেন। সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার কথা বলা হলেও, ওয়াশিংটনের যুদ্ধংদেহী মনোভাবে দেশটির নাগরিকরা গভীর উদ্বেগে রয়েছেন।
তেহরানের বাসিন্দারা এখন রাত জেগে কাটাচ্ছেন। এক প্রকৌশলী জানান, তিনি সারারাত ধরে বিস্ফোরণের শব্দের জন্য অপেক্ষা করছেন এবং ঘুমাতে পারছেন না। অন্যদিকে শোহরেহ নামের একজন বলেন, মানুষ এখন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। সরকারের গুপ্তহত্যা ও দমননীতির কারণে সাধারণ মানুষ এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে, তারা মনে করছেন হয়তো বিদেশি আগ্রাসনই পরিস্থিতির সমাধান আনতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বহরের উপস্থিতি ইরানিদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও মানসিক চাপ তৈরি করেছে। ৩২ বছর বয়সী সরকারি কর্মচারী আরজু জানান, তার প্রতিবেশীরা জানালা বন্ধ করে দিয়েছেন এবং বলছেন বোমা পড়লে শাসক বা বিরোধী কেউ বাঁচবে না। এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ১০ দিনের খাবার মজুদ, প্রাথমিক চিকিৎসা সামগ্রী রাখা এবং বিস্ফোরণের সময় দেওয়ালের পাশে মাটিতে শোয়ার মতো নির্দেশনা ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা প্রায় ৪০ লাখ প্রবাসী ইরানিরাও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আশঙ্কায় ইরানজুড়ে খাবার মজুদের হিড়িক
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার আশঙ্কায় ইরানজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গত শুক্রবার থেকে চলা এই গুজবের প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষ ঘরে জরুরি খাবার ও পানি মজুদ করা শুরু করেছেন। সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার কথা বলা হলেও, ওয়াশিংটনের যুদ্ধংদেহী মনোভাবে দেশটির নাগরিকরা গভীর উদ্বেগে রয়েছেন।
তেহরানের বাসিন্দারা এখন রাত জেগে কাটাচ্ছেন। এক প্রকৌশলী জানান, তিনি সারারাত ধরে বিস্ফোরণের শব্দের জন্য অপেক্ষা করছেন এবং ঘুমাতে পারছেন না। অন্যদিকে শোহরেহ নামের একজন বলেন, মানুষ এখন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। সরকারের গুপ্তহত্যা ও দমননীতির কারণে সাধারণ মানুষ এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে, তারা মনে করছেন হয়তো বিদেশি আগ্রাসনই পরিস্থিতির সমাধান আনতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক বহরের উপস্থিতি ইরানিদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও মানসিক চাপ তৈরি করেছে। ৩২ বছর বয়সী সরকারি কর্মচারী আরজু জানান, তার প্রতিবেশীরা জানালা বন্ধ করে দিয়েছেন এবং বলছেন বোমা পড়লে শাসক বা বিরোধী কেউ বাঁচবে না। এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ১০ দিনের খাবার মজুদ, প্রাথমিক চিকিৎসা সামগ্রী রাখা এবং বিস্ফোরণের সময় দেওয়ালের পাশে মাটিতে শোয়ার মতো নির্দেশনা ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা প্রায় ৪০ লাখ প্রবাসী ইরানিরাও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…