দীর্ঘ বন্ধের পর রাফাহ সীমান্ত খুলছে, চিকিৎসায় যেতে পারবেন ১৫০ জন
প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে গাজা ও মিসরের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং আংশিকভাবে খুলে দিয়েছে ইসরায়েল। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) থেকে এই পথে উভয়মুখী যাতায়াত শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। জিম্মি ইসরায়েলি সেনা রন গভিলির মরদেহ উদ্ধারের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা গাজার বাসিন্দাদের জন্য স্বস্তির খবর বয়ে এনেছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংস্থা কোগাট জানিয়েছে, পরীক্ষামূলক এই পর্যায়ে প্রতিদিন গাজা থেকে প্রায় ১৫০ জন বাসিন্দা বাইরে যাওয়ার সুযোগ পাবেন এবং প্রায় ৫০ জন ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন। জরুরি চিকিৎসার জন্য বর্তমানে প্রায় ২০০ জন রোগী সীমান্ত পার হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়া ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রায় ৪০ জন কর্মকর্তা গাজায় তাদের কার্যক্রম শুরু করতে মিসরের অংশে পৌঁছেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশনের তত্ত্বাবধানে ও মিসরের সমন্বয়ে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

জাতিসংঘ এই ক্রসিংটি মানবিক সহায়তার পাশাপাশি বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহনের জন্যও উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে। জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেছেন, সহায়তাকর্মীরা এখনও সীমান্তে বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। যুদ্ধবিরতি অব্যাহত থাকলেও এই সীমান্ত খোলাকে কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হলেও পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালু করতে আরও চূড়ান্ত সমঝোতা প্রয়োজন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
দীর্ঘ বন্ধের পর রাফাহ সীমান্ত খুলছে, চিকিৎসায় যেতে পারবেন ১৫০ জন
প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে গাজা ও মিসরের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং আংশিকভাবে খুলে দিয়েছে ইসরায়েল। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) থেকে এই পথে উভয়মুখী যাতায়াত শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। জিম্মি ইসরায়েলি সেনা রন গভিলির মরদেহ উদ্ধারের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা গাজার বাসিন্দাদের জন্য স্বস্তির খবর বয়ে এনেছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংস্থা কোগাট জানিয়েছে, পরীক্ষামূলক এই পর্যায়ে প্রতিদিন গাজা থেকে প্রায় ১৫০ জন বাসিন্দা বাইরে যাওয়ার সুযোগ পাবেন এবং প্রায় ৫০ জন ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন। জরুরি চিকিৎসার জন্য বর্তমানে প্রায় ২০০ জন রোগী সীমান্ত পার হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়া ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রায় ৪০ জন কর্মকর্তা গাজায় তাদের কার্যক্রম শুরু করতে মিসরের অংশে পৌঁছেছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশনের তত্ত্বাবধানে ও মিসরের সমন্বয়ে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

জাতিসংঘ এই ক্রসিংটি মানবিক সহায়তার পাশাপাশি বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহনের জন্যও উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে। জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেছেন, সহায়তাকর্মীরা এখনও সীমান্তে বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। যুদ্ধবিরতি অব্যাহত থাকলেও এই সীমান্ত খোলাকে কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হলেও পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালু করতে আরও চূড়ান্ত সমঝোতা প্রয়োজন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…