যুক্তরাষ্ট্রের আইনি নোটিশ মেনে নিলেন গৌতম ও সাগর আদানি
ভারতের শীর্ষ ধনকুবের গৌতম আদানি এবং তার ভাতিজা সাগর আদানি অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) আইনি সমন গ্রহণ করেছেন। গত ২১ জানুয়ারি মার্কিন আদালত থেকে এই সমন জারির পর, আদানি পরিবারের মার্কিন আইনজীবীরা ২৩ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে তা গ্রহণে সম্মত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
মার্কিন আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট স্টিপুলেশন বা আবশ্যিক শর্তাবলি অনুমোদনের পর থেকে ৯০ দিনের সময়সীমা গণনা শুরু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আদানি ও তার ভাতিজাকে মামলার আনুষ্ঠানিক জবাব দাখিল করতে হবে অথবা অভিযোগ খারিজের আবেদন করতে হবে। তবে সমন মেনে নিলেও আদালতের এখতিয়ার চ্যালেঞ্জ করাসহ সব ধরনের আইনি সুরক্ষা তারা ধরে রাখছেন।

অভিযুক্তরা ভারতে অবস্থান করায় আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় নথি পাঠাতে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি এসইসি ভারতের আইন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চেয়েছিল। আন্তর্জাতিক হেগ কনভেনশন অনুযায়ী এই নথি বিনিময় হওয়ার কথা থাকলেও চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ভারত সরকার একবার এসইসির অনুরোধ ফিরিয়ে দিয়েছিল। যদিও এসইসির দাবি, ওই কনভেনশন অনুযায়ী নথিতে সিল ও স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক নয়।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের আইনি নোটিশ মেনে নিলেন গৌতম ও সাগর আদানি
ভারতের শীর্ষ ধনকুবের গৌতম আদানি এবং তার ভাতিজা সাগর আদানি অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) আইনি সমন গ্রহণ করেছেন। গত ২১ জানুয়ারি মার্কিন আদালত থেকে এই সমন জারির পর, আদানি পরিবারের মার্কিন আইনজীবীরা ২৩ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে তা গ্রহণে সম্মত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
মার্কিন আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট স্টিপুলেশন বা আবশ্যিক শর্তাবলি অনুমোদনের পর থেকে ৯০ দিনের সময়সীমা গণনা শুরু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আদানি ও তার ভাতিজাকে মামলার আনুষ্ঠানিক জবাব দাখিল করতে হবে অথবা অভিযোগ খারিজের আবেদন করতে হবে। তবে সমন মেনে নিলেও আদালতের এখতিয়ার চ্যালেঞ্জ করাসহ সব ধরনের আইনি সুরক্ষা তারা ধরে রাখছেন।

অভিযুক্তরা ভারতে অবস্থান করায় আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় নথি পাঠাতে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি এসইসি ভারতের আইন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চেয়েছিল। আন্তর্জাতিক হেগ কনভেনশন অনুযায়ী এই নথি বিনিময় হওয়ার কথা থাকলেও চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ভারত সরকার একবার এসইসির অনুরোধ ফিরিয়ে দিয়েছিল। যদিও এসইসির দাবি, ওই কনভেনশন অনুযায়ী নথিতে সিল ও স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক নয়।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…