আমেরিকা-ইসরায়েলি আগ্রাসনের মুখে সর্বোচ্চ সতর্ক ইরানি সেনাবাহিনী
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সম্ভাব্য সামরিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি জানান, তার দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে এবং শত্রুপক্ষ যাতে ভুল কোনো পদক্ষেপ না নেয়, সে জন্য তারা সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন। খবর দ্য ডন।
সেনাপ্রধান আমির হাতামি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস করা সম্ভব নয়, এমনকি দেশটির বিজ্ঞানী ও সন্তানরা শহীদ হলেও এই প্রযুক্তি টিকে থাকবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি কেউ ইরানের ওপর আগ্রাসন চালায়, তবে তারা নিজেদের নিরাপত্তা এবং অঞ্চলের শান্তি বিপন্ন করে ফেলবে। এর আগে ইরান ঘোষণা দিয়েছিল, আক্রমণের ঘটনা ঘটলে মার্কিন ঘাঁটি, জাহাজ এবং ইসরায়েলের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হবে।

এই উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ বিমানবাহী রণতরীর নেতৃত্বে একটি নৌ-স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন করেছে। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনের প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিলেও আশা প্রকাশ করেছেন যে, ইরান চাপে পড়ে আলোচনার টেবিলে আসবে। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনা হতে পারে কিন্তু তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কোনো আপস করা হবে না।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
আমেরিকা-ইসরায়েলি আগ্রাসনের মুখে সর্বোচ্চ সতর্ক ইরানি সেনাবাহিনী
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সম্ভাব্য সামরিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি জানান, তার দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে এবং শত্রুপক্ষ যাতে ভুল কোনো পদক্ষেপ না নেয়, সে জন্য তারা সতর্ক দৃষ্টি রাখছেন। খবর দ্য ডন।
সেনাপ্রধান আমির হাতামি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস করা সম্ভব নয়, এমনকি দেশটির বিজ্ঞানী ও সন্তানরা শহীদ হলেও এই প্রযুক্তি টিকে থাকবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি কেউ ইরানের ওপর আগ্রাসন চালায়, তবে তারা নিজেদের নিরাপত্তা এবং অঞ্চলের শান্তি বিপন্ন করে ফেলবে। এর আগে ইরান ঘোষণা দিয়েছিল, আক্রমণের ঘটনা ঘটলে মার্কিন ঘাঁটি, জাহাজ এবং ইসরায়েলের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হবে।

এই উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ বিমানবাহী রণতরীর নেতৃত্বে একটি নৌ-স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন করেছে। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনের প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিলেও আশা প্রকাশ করেছেন যে, ইরান চাপে পড়ে আলোচনার টেবিলে আসবে। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনা হতে পারে কিন্তু তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কোনো আপস করা হবে না।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…