শিনজিয়াংয়ের ভিডি ধারণ, আমেরিকায় আশ্রয় পেলেন চীনা যুবক
উইঘুরদের ওপর চীনের নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করার অপরাধে নিজ দেশে ফিরে গেলে মৃত্যুর ঝুঁকি ছিল গুয়ান হেংয়ের। অবশেষে এই আশঙ্কা থেকে মুক্তি দিয়ে তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিল যুক্তরাষ্ট্র। ৩৮ বছর বয়সী এই চীনা নাগরিক ২০২০ সালে শিনজিয়াংয়ের গোপন আটককেন্দ্রগুলোর ভিডিও প্রকাশ করে আলোচনায় আসেন। যুক্তরাষ্ট্রের একটি অভিবাসন আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, চীনে ফেরত পাঠালে গুয়ান নির্যাতনের মুখে পড়বেন বলে যুক্তিসংগত আশঙ্কা রয়েছে।
দীর্ঘ ও ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্র যাত্রার মাধ্যমে ২০২১ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছান গুয়ান হেং। হংকং, ইকুয়েডর ও বাহামা হয়ে নৌকায় করে তিনি ফ্লোরিডায় প্রবেশ করেন। তবে গত আগস্টে তাকে আটক করে হেফাজতে রাখা হয়। শুরুতে আমেরিকান নিরাপত্তা বিভাগ তাকে উগান্ডায় পাঠানোর পরিকল্পনা করলেও আন্তর্জাতিক ও আভ্যন্তরীণ চাপের মুখে গত ডিসেম্বরে তা বাতিল করতে বাধ্য হয়।

শুনানিতে গুয়ান হেং জানান, আশ্রয় পাওয়ার আশায় তিনি এই ভিডিও ধারণ করেননি, বরং মানবতার স্বার্থে নিপীড়িত উইঘুরদের প্রতি সহমর্মিতা থেকেই এই কাজ করেছেন। ভিডিও প্রকাশের পর চীনা পুলিশ তার বয়স্ক বাবাকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। মানবাধিকারকর্মীদের মতে, তার ধারণ করা ফুটেজগুলো শিনজিয়াংয়ে ১০ লাখেরও বেশি সংখ্যালঘু মানুষকে আটক রাখার অকথ্য সত্য প্রমাণ করে। যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমারা একে গণহত্যা বললেও চীন তা অস্বীকার করে এগুলোকে কেবল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বলে দাবি করে আসছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
শিনজিয়াংয়ের ভিডি ধারণ, আমেরিকায় আশ্রয় পেলেন চীনা যুবক
উইঘুরদের ওপর চীনের নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করার অপরাধে নিজ দেশে ফিরে গেলে মৃত্যুর ঝুঁকি ছিল গুয়ান হেংয়ের। অবশেষে এই আশঙ্কা থেকে মুক্তি দিয়ে তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিল যুক্তরাষ্ট্র। ৩৮ বছর বয়সী এই চীনা নাগরিক ২০২০ সালে শিনজিয়াংয়ের গোপন আটককেন্দ্রগুলোর ভিডিও প্রকাশ করে আলোচনায় আসেন। যুক্তরাষ্ট্রের একটি অভিবাসন আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, চীনে ফেরত পাঠালে গুয়ান নির্যাতনের মুখে পড়বেন বলে যুক্তিসংগত আশঙ্কা রয়েছে।
দীর্ঘ ও ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্র যাত্রার মাধ্যমে ২০২১ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছান গুয়ান হেং। হংকং, ইকুয়েডর ও বাহামা হয়ে নৌকায় করে তিনি ফ্লোরিডায় প্রবেশ করেন। তবে গত আগস্টে তাকে আটক করে হেফাজতে রাখা হয়। শুরুতে আমেরিকান নিরাপত্তা বিভাগ তাকে উগান্ডায় পাঠানোর পরিকল্পনা করলেও আন্তর্জাতিক ও আভ্যন্তরীণ চাপের মুখে গত ডিসেম্বরে তা বাতিল করতে বাধ্য হয়।

শুনানিতে গুয়ান হেং জানান, আশ্রয় পাওয়ার আশায় তিনি এই ভিডিও ধারণ করেননি, বরং মানবতার স্বার্থে নিপীড়িত উইঘুরদের প্রতি সহমর্মিতা থেকেই এই কাজ করেছেন। ভিডিও প্রকাশের পর চীনা পুলিশ তার বয়স্ক বাবাকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। মানবাধিকারকর্মীদের মতে, তার ধারণ করা ফুটেজগুলো শিনজিয়াংয়ে ১০ লাখেরও বেশি সংখ্যালঘু মানুষকে আটক রাখার অকথ্য সত্য প্রমাণ করে। যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমারা একে গণহত্যা বললেও চীন তা অস্বীকার করে এগুলোকে কেবল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বলে দাবি করে আসছে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…