ইরানে সরকার পরিবর্তন, নীরব কৌশলে খেলা বাড়াচ্ছে ইসরায়েল
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ার প্রেক্ষাপটে অদ্ভুতভাবে নীরব রয়েছে ইসরায়েল। বিশ্লেষকদের ধারণা, তেল আবিব ইচ্ছাকৃতভাবে পশ্চাদপসরণ করছে যাতে ওয়াশিংটন এই ইস্যুতে নেতৃত্ব দিতে পারে এবং ইরানের বর্তমান সরকারকে উৎখাত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে খুব কম কথাই বলছেন।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা বিভাগের প্রাক্তন কর্মকর্তা ড্যানি সিত্রিনোভিচ মন্তব্য করেছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর বিশাল ঘাঁটি এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নেতানিয়াহুর জন্য একটি স্বর্ণালী সুযোগ। এই মুহূর্তটি কাজে লাগিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযানের স্বপ্ন দেখছেন তিনি। সাবেক সিগন্যাল গোয়েন্দা আধিকারিক আসাফ কোহেনের মতে, আন্তর্জাতিক মহলে গ্রহণযোগ্যতা এবং সামরিক সক্ষমতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বই বেশি প্রত্যাশিত ইসরায়েলের।

তবে এই নীরবতার অর্থ এই নয় যে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা প্রধান শ্লোমি বাইন্ডার ওয়াশিংটন সফর করে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সাথে ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু নিয়ে আলোচনা করেছেন। গোপন সূত্রে জানা গেছে, নেতানিয়াহু আসলে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে সরকার পরিবর্তনমূলক বড় ধরনের হামলার জন্য উৎসাহিত করছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ইরানে সরকার পরিবর্তন, নীরব কৌশলে খেলা বাড়াচ্ছে ইসরায়েল
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ার প্রেক্ষাপটে অদ্ভুতভাবে নীরব রয়েছে ইসরায়েল। বিশ্লেষকদের ধারণা, তেল আবিব ইচ্ছাকৃতভাবে পশ্চাদপসরণ করছে যাতে ওয়াশিংটন এই ইস্যুতে নেতৃত্ব দিতে পারে এবং ইরানের বর্তমান সরকারকে উৎখাত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রকাশ্যে খুব কম কথাই বলছেন।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা বিভাগের প্রাক্তন কর্মকর্তা ড্যানি সিত্রিনোভিচ মন্তব্য করেছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর বিশাল ঘাঁটি এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নেতানিয়াহুর জন্য একটি স্বর্ণালী সুযোগ। এই মুহূর্তটি কাজে লাগিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযানের স্বপ্ন দেখছেন তিনি। সাবেক সিগন্যাল গোয়েন্দা আধিকারিক আসাফ কোহেনের মতে, আন্তর্জাতিক মহলে গ্রহণযোগ্যতা এবং সামরিক সক্ষমতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বই বেশি প্রত্যাশিত ইসরায়েলের।

তবে এই নীরবতার অর্থ এই নয় যে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা প্রধান শ্লোমি বাইন্ডার ওয়াশিংটন সফর করে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সাথে ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু নিয়ে আলোচনা করেছেন। গোপন সূত্রে জানা গেছে, নেতানিয়াহু আসলে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে সরকার পরিবর্তনমূলক বড় ধরনের হামলার জন্য উৎসাহিত করছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…