সৌদির আকাশ প্রতিরক্ষায় ৯ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন অস্ত্র চুক্তির অনুমোদন
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় এবার সৌদি আরবকে প্যাট্রিয়ট অ্যাডভান্সড ক্যাপাবিলিটি-৩ (প্যাক-৩) মিসাইল সরবরাহের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ৩০ জানুয়ারি শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন এই গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র বিক্রির অনুমোদনের কথা জানিয়েছে। এই সম্ভাব্য চুক্তির আর্থিক মূল্য প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
মার্কিন ডিফেন্স সিকিউরিটি কো-অপারেশন এজেন্সি (ডিএসসিএ) জানিয়েছে, এই প্যাক-৩ মিসাইল সেগমেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট সামগ্রী সৌদি আরবের নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও জোরদার করবে। আধুনিক এই সমন্বিত আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা আইএএমডি বাস্তবায়িত হলে দেশটি বর্তমানে বিদ্যমান এবং ভবিষ্যতে সৃষ্টি হতে পারে এমন যেকোনো বাহ্যিক হুমকি মোকাবেলায় সক্ষম হবে।

এই বৃহৎ প্রতিরক্ষা চুক্তি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন করপোরেশন। টেক্সাস ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি প্রধান ঠিকাদার হিসেবে সৌদি আরবকে এই উন্নত প্রযুক্তির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহ করবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
সৌদির আকাশ প্রতিরক্ষায় ৯ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন অস্ত্র চুক্তির অনুমোদন
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় এবার সৌদি আরবকে প্যাট্রিয়ট অ্যাডভান্সড ক্যাপাবিলিটি-৩ (প্যাক-৩) মিসাইল সরবরাহের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ৩০ জানুয়ারি শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন এই গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র বিক্রির অনুমোদনের কথা জানিয়েছে। এই সম্ভাব্য চুক্তির আর্থিক মূল্য প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
মার্কিন ডিফেন্স সিকিউরিটি কো-অপারেশন এজেন্সি (ডিএসসিএ) জানিয়েছে, এই প্যাক-৩ মিসাইল সেগমেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট সামগ্রী সৌদি আরবের নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও জোরদার করবে। আধুনিক এই সমন্বিত আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা আইএএমডি বাস্তবায়িত হলে দেশটি বর্তমানে বিদ্যমান এবং ভবিষ্যতে সৃষ্টি হতে পারে এমন যেকোনো বাহ্যিক হুমকি মোকাবেলায় সক্ষম হবে।

এই বৃহৎ প্রতিরক্ষা চুক্তি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন করপোরেশন। টেক্সাস ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি প্রধান ঠিকাদার হিসেবে সৌদি আরবকে এই উন্নত প্রযুক্তির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহ করবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…