বকেয়া চাঁদায় জাতিসংঘের কোষাগারে ফাঁকা, আর্থিক ভাঙনের আশঙ্কায় গুতেরেসের চিঠি
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিপুল পরিমাণ বকেয়া অর্থ ও বর্তমান অর্থনৈতিক কাঠামোর কারণে মারাত্মক আর্থিক ধসের মুখোমুখি হয়েছে জাতিসংঘ। চলতি সপ্তাহের শুরুতে সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সদস্য দেশগুলোকে পাঠানো এক জরুরি চিঠিতে জানিয়েছেন, বর্তমান হারে চাঁদা না উঠলে আগামী জুলাইয়ের মধ্যেই সংস্থার নগদ তহবিল শেষ হয়ে যেতে পারে।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ সদস্যদের বকেয়া চাঁদার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার, যা একটি রেকর্ড। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন সবচেয়ে বড় অবদানকারী হলেও ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থায়ন কমানোর সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এমনকি চলতি বছরের জন্য ৩ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বাজেট অনুমোদন করা হলেও গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১৯৩টি সদস্য দেশের মধ্যে মাত্র ৩৬টি তাদের পূর্ণাঙ্গ বার্ষিক চাঁদা পরিশোধ করতে পেরেছে।

এদিকে, জাতিসংঘের মুখপাত্র ফারহান হক শুক্রবারের এক ব্রিফিংয়ে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, চাঁদা আদায়ের বিষয়টি এখন ‘এখনই নয়তো কখনোই নয়’ অবস্থায় পৌঁছেছে। সংস্থাটির কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হলে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে অবিলম্বে অর্থ পরিশোধ করতে হবে অথবা বর্তমান আর্থিক নিয়মাবলীতে সংস্কার আনতে হবে বলে জানিয়েছেন মহাসচিব।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
বকেয়া চাঁদায় জাতিসংঘের কোষাগারে ফাঁকা, আর্থিক ভাঙনের আশঙ্কায় গুতেরেসের চিঠি
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিপুল পরিমাণ বকেয়া অর্থ ও বর্তমান অর্থনৈতিক কাঠামোর কারণে মারাত্মক আর্থিক ধসের মুখোমুখি হয়েছে জাতিসংঘ। চলতি সপ্তাহের শুরুতে সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সদস্য দেশগুলোকে পাঠানো এক জরুরি চিঠিতে জানিয়েছেন, বর্তমান হারে চাঁদা না উঠলে আগামী জুলাইয়ের মধ্যেই সংস্থার নগদ তহবিল শেষ হয়ে যেতে পারে।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ সদস্যদের বকেয়া চাঁদার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার, যা একটি রেকর্ড। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন সবচেয়ে বড় অবদানকারী হলেও ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থায়ন কমানোর সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এমনকি চলতি বছরের জন্য ৩ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বাজেট অনুমোদন করা হলেও গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১৯৩টি সদস্য দেশের মধ্যে মাত্র ৩৬টি তাদের পূর্ণাঙ্গ বার্ষিক চাঁদা পরিশোধ করতে পেরেছে।

এদিকে, জাতিসংঘের মুখপাত্র ফারহান হক শুক্রবারের এক ব্রিফিংয়ে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, চাঁদা আদায়ের বিষয়টি এখন ‘এখনই নয়তো কখনোই নয়’ অবস্থায় পৌঁছেছে। সংস্থাটির কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হলে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে অবিলম্বে অর্থ পরিশোধ করতে হবে অথবা বর্তমান আর্থিক নিয়মাবলীতে সংস্কার আনতে হবে বলে জানিয়েছেন মহাসচিব।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…