গুরুতর আর্থিক সংকটে জাতিসংঘ, চলতি বছরেই নগদ তহবিল শূন্য হওয়ার শঙ্কা
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বকেয়া চাঁদা এবং বর্তমান অর্থনৈতিক কাঠামোর কারণে প্রাণঘাতী আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে জাতিসংঘ। চলতি সপ্তাহের শুরুতে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সদস্য দেশগুলোর উদ্দেশ্যে এক চিঠিতে জানিয়েছেন, বর্তমান হারে অর্থ পরিশোধ না হলে আগামী জুলাই মাসের মধ্যেই সংস্থাটির নগদ তহবিল ফুরিয়ে যেতে পারে। জাতিসংঘের মুখপাত্র ফারহান হক এ প্রসঙ্গে বলেছেন, চাঁদা পরিশোধের বিষয়টি এখন ‘এখনই না হলে কখনোই না’ অবস্থায় পৌঁছেছে।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সাল শেষে বকেয়া চাঁদার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন যথাক্রমে ২২ ও ২০ শতাংশ অর্থ দিলেও ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থায়ন কমানোর সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করেছে। চলতি মাসে ২০২৬ সালের জন্য ৩ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বাজেট অনুমোদন করা হলেও গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১৯৩টি সদস্য দেশের মধ্যে মাত্র ৩৬টি দেশ তাদের পূর্ণাঙ্গ বার্ষিক চাঁদা পরিশোধ করেছে।

এমন পরিস্থিতিতে আর্থিক ভিত্তি শক্ত করতে মহাসচিব সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি জাতিসংঘের অর্থায়ন ব্যবস্থা সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, সময়মতো এবং পূর্ণাঙ্গভাবে অর্থ প্রদান না করা গেলে বিশ্বজুড়ে জাতিসংঘের বিভিন্ন কার্যক্রম ও মিশন বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
গুরুতর আর্থিক সংকটে জাতিসংঘ, চলতি বছরেই নগদ তহবিল শূন্য হওয়ার শঙ্কা
সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বকেয়া চাঁদা এবং বর্তমান অর্থনৈতিক কাঠামোর কারণে প্রাণঘাতী আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছে জাতিসংঘ। চলতি সপ্তাহের শুরুতে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সদস্য দেশগুলোর উদ্দেশ্যে এক চিঠিতে জানিয়েছেন, বর্তমান হারে অর্থ পরিশোধ না হলে আগামী জুলাই মাসের মধ্যেই সংস্থাটির নগদ তহবিল ফুরিয়ে যেতে পারে। জাতিসংঘের মুখপাত্র ফারহান হক এ প্রসঙ্গে বলেছেন, চাঁদা পরিশোধের বিষয়টি এখন ‘এখনই না হলে কখনোই না’ অবস্থায় পৌঁছেছে।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সাল শেষে বকেয়া চাঁদার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন যথাক্রমে ২২ ও ২০ শতাংশ অর্থ দিলেও ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থায়ন কমানোর সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করেছে। চলতি মাসে ২০২৬ সালের জন্য ৩ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বাজেট অনুমোদন করা হলেও গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১৯৩টি সদস্য দেশের মধ্যে মাত্র ৩৬টি দেশ তাদের পূর্ণাঙ্গ বার্ষিক চাঁদা পরিশোধ করেছে।

এমন পরিস্থিতিতে আর্থিক ভিত্তি শক্ত করতে মহাসচিব সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি জাতিসংঘের অর্থায়ন ব্যবস্থা সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, সময়মতো এবং পূর্ণাঙ্গভাবে অর্থ প্রদান না করা গেলে বিশ্বজুড়ে জাতিসংঘের বিভিন্ন কার্যক্রম ও মিশন বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…