তহবিল সংকটে জাতিসংঘ, অচল হওয়ার আশঙ্কায় মহাসচিবের সতর্কবার্তা
চরম আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়ে পড়েছে জাতিসংঘ। বিশ্ব এই সংস্থাটি এখন প্রায় অচল হয়ে পড়ার পথে বলে সতর্ক করেছেন মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। তিনি জানিয়েছেন, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বকেয়া পরিশোধ না করলে এবং বর্তমান অর্থনৈতিক কাঠামোতে বড় ধরনের সংস্কার না আনা হলে আগামী দিনে জাতিসংঘের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
জাতিসংঘ সদর দপ্তরে মহাসচিবের মুখপাত্র ফারহান হক জানান, এখন পর্যন্ত ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে মাত্র ৩৬টি দেশ ২০২৬ সালের চাঁদা পরিশোধ করেছে। গত বছর শেষে সদস্য দেশগুলোর কাছে রেকর্ড সাড়ে ১.৫ বিলিয়ন ডলার বকেয়া জমা হয়েছে। এমনকি আগামী জুলাই মাসের মধ্যেই জাতিসংঘের হাতে থাকা নগদ অর্থের মজুদ ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বর্তমান অর্থ ফেরত দেওয়ার পুরনো নিয়মেরও সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, যেখানে নগদ অর্থের তীব্র সংকট, সেখানে প্রতি বছর অব্যবহৃত অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়াটি সংস্থাটিকে এক অদ্ভুত চক্রে আটকে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মতো শীর্ষ অর্থদাতা দেশগুলোর অনিয়মিত আচরণ এবং কিছু বড় রাষ্ট্রের অর্থায়ন প্রত্যাহারের প্রবণতা এই সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার রক্ষার কাজে বিরূপ প্রভাব ফেলবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
তহবিল সংকটে জাতিসংঘ, অচল হওয়ার আশঙ্কায় মহাসচিবের সতর্কবার্তা
চরম আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হয়ে পড়েছে জাতিসংঘ। বিশ্ব এই সংস্থাটি এখন প্রায় অচল হয়ে পড়ার পথে বলে সতর্ক করেছেন মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। তিনি জানিয়েছেন, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বকেয়া পরিশোধ না করলে এবং বর্তমান অর্থনৈতিক কাঠামোতে বড় ধরনের সংস্কার না আনা হলে আগামী দিনে জাতিসংঘের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
জাতিসংঘ সদর দপ্তরে মহাসচিবের মুখপাত্র ফারহান হক জানান, এখন পর্যন্ত ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে মাত্র ৩৬টি দেশ ২০২৬ সালের চাঁদা পরিশোধ করেছে। গত বছর শেষে সদস্য দেশগুলোর কাছে রেকর্ড সাড়ে ১.৫ বিলিয়ন ডলার বকেয়া জমা হয়েছে। এমনকি আগামী জুলাই মাসের মধ্যেই জাতিসংঘের হাতে থাকা নগদ অর্থের মজুদ ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বর্তমান অর্থ ফেরত দেওয়ার পুরনো নিয়মেরও সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, যেখানে নগদ অর্থের তীব্র সংকট, সেখানে প্রতি বছর অব্যবহৃত অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়াটি সংস্থাটিকে এক অদ্ভুত চক্রে আটকে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মতো শীর্ষ অর্থদাতা দেশগুলোর অনিয়মিত আচরণ এবং কিছু বড় রাষ্ট্রের অর্থায়ন প্রত্যাহারের প্রবণতা এই সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার রক্ষার কাজে বিরূপ প্রভাব ফেলবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…