সংকটে জাতিসংঘ, বকেয়া চাঁদার ভারে জুলাইতেই বন্ধ হতে পারে কার্যক্রম
গুরুতর আর্থিক সংকটে জর্জরিত হয়ে পড়েছে জাতিসংঘ। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিপুল পরিমাণ বকেয়া চাঁদা এবং বর্তমান অর্থায়ন কাঠামোর কারণে সংস্থাটি এমন ধসের মুখে দাঁড়িয়েছে যা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে অসম্ভব করে তুলছে। এমন পরিস্থিতিতে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সদস্য দেশগুলোর কাছে জরুরি এক চিঠি পাঠিয়ে হয় তহবিল ব্যবস্থা সংস্কার অথবা পূর্ণাঙ্গ চাঁদা পরিশোধের আহ্বান জানিয়েছেন।
জাতিসংঘের মুখপাত্র ফারহান হক স্পষ্ট জানিয়েছেন, চাঁদা পরিশোধের বিষয়টি এখন ‘এখনই নয়তো কখনোই নয়’ অবস্থায় পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন সবচেয়ে বড় অবদানকারী হলেও ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থায়ন কমানোর সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি আরও ঘনীভূত করেছে। ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ বকেয়া চাঁদার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলারে। অথচ চলতি মাসে ২০২৬ সালের জন্য ৩ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বাজেট অনুমোদন করা হলেও তা আগের বছরের চেয়ে সাত শতাংশ কম।

জাতিসংঘের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে মাত্র ৩৬টি দেশ এবারের নিয়মিত চাঁদা পরিশোধ করেছে। মহাসচিব গুতেরেস সতর্ক করে দিয়েছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী জুলাই মাসের মধ্যেই জাতিসংঘের হাতে নগদ অর্থ ফুরিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে মানবিক ও শান্তিরক্ষা মিশনের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
সংকটে জাতিসংঘ, বকেয়া চাঁদার ভারে জুলাইতেই বন্ধ হতে পারে কার্যক্রম
গুরুতর আর্থিক সংকটে জর্জরিত হয়ে পড়েছে জাতিসংঘ। সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিপুল পরিমাণ বকেয়া চাঁদা এবং বর্তমান অর্থায়ন কাঠামোর কারণে সংস্থাটি এমন ধসের মুখে দাঁড়িয়েছে যা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে অসম্ভব করে তুলছে। এমন পরিস্থিতিতে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সদস্য দেশগুলোর কাছে জরুরি এক চিঠি পাঠিয়ে হয় তহবিল ব্যবস্থা সংস্কার অথবা পূর্ণাঙ্গ চাঁদা পরিশোধের আহ্বান জানিয়েছেন।
জাতিসংঘের মুখপাত্র ফারহান হক স্পষ্ট জানিয়েছেন, চাঁদা পরিশোধের বিষয়টি এখন ‘এখনই নয়তো কখনোই নয়’ অবস্থায় পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন সবচেয়ে বড় অবদানকারী হলেও ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থায়ন কমানোর সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি আরও ঘনীভূত করেছে। ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ বকেয়া চাঁদার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলারে। অথচ চলতি মাসে ২০২৬ সালের জন্য ৩ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারের বাজেট অনুমোদন করা হলেও তা আগের বছরের চেয়ে সাত শতাংশ কম।

জাতিসংঘের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে মাত্র ৩৬টি দেশ এবারের নিয়মিত চাঁদা পরিশোধ করেছে। মহাসচিব গুতেরেস সতর্ক করে দিয়েছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী জুলাই মাসের মধ্যেই জাতিসংঘের হাতে নগদ অর্থ ফুরিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে মানবিক ও শান্তিরক্ষা মিশনের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…