সন্ত্রাসী তালিকাভুক্তির পথে ইরানের বিপ্লবী গার্ড, উদ্বেগ ইইউ’র
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যের নীতিনির্ধারকদের কঠোর অবস্থানের মুখে পড়েছে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে ইরানি নাগরিকদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের খবরের পাশাপাশি মাহসা আমিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এই বাহিনীকে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন শীর্ষ ইউরোপীয় নেতারা।
ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরান বর্তমানে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত অন্তত ১০ জনকে হত্যার হুমকি দিয়েছে, যাদের মধ্যে একজন ইরানি সাংবাদিকও রয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্নালেনা বায়েরবক এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন আনুষ্ঠানিকভাবে এই বাহিনীকে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করার আবেদন জানিয়েছেন। এর আগে ২০১৯ সালে হিজবুল্লাহর মতো গোষ্ঠীতে সমর্থনের অভিযোগ এনে আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী ঘোষণা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর গঠিত এই বাহিনী ইরানের সাধারণ সেনাবাহিনী থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং সরাসরি সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কাছে জবাবদিহি করে। প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার সক্রিয় সদস্য নিয়ে গঠিত এই বাহিনী শুধু সামরিক কর্মকাণ্ডেই নয়, দেশটির অর্থনীতি ও রাজনীতিতেও প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করে এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল বা পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে মূখ্য ভূমিকা রাখে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
সন্ত্রাসী তালিকাভুক্তির পথে ইরানের বিপ্লবী গার্ড, উদ্বেগ ইইউ’র
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যের নীতিনির্ধারকদের কঠোর অবস্থানের মুখে পড়েছে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে ইরানি নাগরিকদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের খবরের পাশাপাশি মাহসা আমিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে এই বাহিনীকে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন শীর্ষ ইউরোপীয় নেতারা।
ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরান বর্তমানে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত অন্তত ১০ জনকে হত্যার হুমকি দিয়েছে, যাদের মধ্যে একজন ইরানি সাংবাদিকও রয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্নালেনা বায়েরবক এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন আনুষ্ঠানিকভাবে এই বাহিনীকে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করার আবেদন জানিয়েছেন। এর আগে ২০১৯ সালে হিজবুল্লাহর মতো গোষ্ঠীতে সমর্থনের অভিযোগ এনে আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী ঘোষণা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর গঠিত এই বাহিনী ইরানের সাধারণ সেনাবাহিনী থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং সরাসরি সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কাছে জবাবদিহি করে। প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার সক্রিয় সদস্য নিয়ে গঠিত এই বাহিনী শুধু সামরিক কর্মকাণ্ডেই নয়, দেশটির অর্থনীতি ও রাজনীতিতেও প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করে এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল বা পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে মূখ্য ভূমিকা রাখে।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…