ইরানে সামরিক হামলার বিরোধিতায় সরাসরি অবস্থান নিল তুরস্ক
মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক সংকটের মধ্যে ইরানের প্রতি এক দৃঢ় সমর্থনের বার্তা দিল তুরস্ক। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ইস্তাম্বুলে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে বৈঠকের পর তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান স্পষ্ট জানিয়েছেন, তার দেশ ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের সামরিক হস্তক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করছে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, ইরানের অভ্যন্তরীণ সব সমস্যার সমাধান ওই দেশের জনগণকে কেন্দ্র করেই শান্তিপূর্ণভাবে হওয়া উচিত।
যৌথ সংবাদ সম্মেলনে হাকান ফিদান জানান, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তারা সব সময় এটা পরিষ্কার করে এসেছে যে ইরানকে লক্ষ্য করে সামরিক আগ্রাসন মেনে নেবে না আঙ্কারা। তিনি আরও বলেন, বাহ্যিক কোনো চাপ বা হস্তক্ষেপ ছাড়াই ইরানিরা নিজেদের সমস্যা সমাধানে সক্ষম। এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যকার বাড়তি উত্তেজনার ময়দানে তুরস্ক কার পক্ষে রয়েছে তা স্পষ্ট হয়ে গেল।

প্রসঙ্গত, ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনের জের ধরে যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির কাছে একটি বিশাল নৌবহর পাঠিয়েছেন, যা এলাকাটিতে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে। আমেরিকার এই হুমকির মুখে ইরানি কর্মকর্তারা পাল্টা সতর্ক করে দিয়েছেন যে, কোনো হামলা হলে তারা ‘দ্রুত ও সর্বাত্মক’ জবাব দেবে। তবে ন্যায্য ও চাপমুক্ত পরিবেশে আলোচনার জন্য তারা প্রস্তুত বলেও জানিয়েছে তেহরান।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ইরানে সামরিক হামলার বিরোধিতায় সরাসরি অবস্থান নিল তুরস্ক
মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক সংকটের মধ্যে ইরানের প্রতি এক দৃঢ় সমর্থনের বার্তা দিল তুরস্ক। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ইস্তাম্বুলে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে বৈঠকের পর তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান স্পষ্ট জানিয়েছেন, তার দেশ ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের সামরিক হস্তক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করছে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, ইরানের অভ্যন্তরীণ সব সমস্যার সমাধান ওই দেশের জনগণকে কেন্দ্র করেই শান্তিপূর্ণভাবে হওয়া উচিত।
যৌথ সংবাদ সম্মেলনে হাকান ফিদান জানান, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তারা সব সময় এটা পরিষ্কার করে এসেছে যে ইরানকে লক্ষ্য করে সামরিক আগ্রাসন মেনে নেবে না আঙ্কারা। তিনি আরও বলেন, বাহ্যিক কোনো চাপ বা হস্তক্ষেপ ছাড়াই ইরানিরা নিজেদের সমস্যা সমাধানে সক্ষম। এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যকার বাড়তি উত্তেজনার ময়দানে তুরস্ক কার পক্ষে রয়েছে তা স্পষ্ট হয়ে গেল।

প্রসঙ্গত, ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনের জের ধরে যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির কাছে একটি বিশাল নৌবহর পাঠিয়েছেন, যা এলাকাটিতে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে। আমেরিকার এই হুমকির মুখে ইরানি কর্মকর্তারা পাল্টা সতর্ক করে দিয়েছেন যে, কোনো হামলা হলে তারা ‘দ্রুত ও সর্বাত্মক’ জবাব দেবে। তবে ন্যায্য ও চাপমুক্ত পরিবেশে আলোচনার জন্য তারা প্রস্তুত বলেও জানিয়েছে তেহরান।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…