যুদ্ধ এড়াতে ট্রাম্পের শর্ত: পারমাণবিক বন্ধ ও বিক্ষোভ হত্যা থামাতে হবে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, সামরিক হামলা এড়াতে হলে তেহরানকে দুটি শর্ত মানতেই হবে। ফ্লোরিডার একটি অনুষ্ঠানে তিনি জানান, ইরানের কোনো পারমাণবিক কর্মসূচি থাকতে পারবে না এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে হবে। উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবহরের উপস্থিতি বাড়ার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের এই মন্তব্য এলো, যদিও তিনি জানিয়েছেন যে, সামরিক শক্তির ব্যবহার ছাড়াই পরিস্থিতির সমাধান চান তিনি।
ওয়াশিংটনের এমন কঠোর অবস্থানের জবাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি তুরস্কের ইস্তাম্বুলে বলেছেন, তাদের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত। এর মধ্যেই তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে আঙ্কারার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি কোনো আলোচনা চলছে না বলে জানিয়েছেন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি। অন্যদিকে ইরানের অভ্যন্তরীণ সংকট গভীর হচ্ছে। মার্কিন ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হরানার তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভের সময় সরকারের দমনপীড়নে এ পর্যন্ত অন্তত ৬ হাজার ৪৭৯ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৬ হাজার ৯২ জন বিক্ষোভকারী, ১১৮ জন শিশু এবং ২১৪ জন নিরাপত্তা সদস্য রয়েছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
যুদ্ধ এড়াতে ট্রাম্পের শর্ত: পারমাণবিক বন্ধ ও বিক্ষোভ হত্যা থামাতে হবে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, সামরিক হামলা এড়াতে হলে তেহরানকে দুটি শর্ত মানতেই হবে। ফ্লোরিডার একটি অনুষ্ঠানে তিনি জানান, ইরানের কোনো পারমাণবিক কর্মসূচি থাকতে পারবে না এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে হবে। উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবহরের উপস্থিতি বাড়ার প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের এই মন্তব্য এলো, যদিও তিনি জানিয়েছেন যে, সামরিক শক্তির ব্যবহার ছাড়াই পরিস্থিতির সমাধান চান তিনি।
ওয়াশিংটনের এমন কঠোর অবস্থানের জবাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি তুরস্কের ইস্তাম্বুলে বলেছেন, তাদের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত। এর মধ্যেই তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে আঙ্কারার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি কোনো আলোচনা চলছে না বলে জানিয়েছেন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি। অন্যদিকে ইরানের অভ্যন্তরীণ সংকট গভীর হচ্ছে। মার্কিন ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হরানার তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভের সময় সরকারের দমনপীড়নে এ পর্যন্ত অন্তত ৬ হাজার ৪৭৯ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৬ হাজার ৯২ জন বিক্ষোভকারী, ১১৮ জন শিশু এবং ২১৪ জন নিরাপত্তা সদস্য রয়েছেন।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…