ইরানে সম্ভাব্য অভিযানের আভাসে আকাবায় যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ
ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র আকাবা উপসাগরে তাদের যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন শুরু করেছে। ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর ইলাতের সন্নিকটে এই সামরিক তৎপরতা দেখা গেছে, যা ওয়াশিংটন এবং তেল আবিবের মধ্যে যৌথ নিরাপত্তা সমন্বয়ের অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই খবর প্রকাশ পায়।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দুই দেশের সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এখন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারেন—এমন আশঙ্কার মধ্য দিয়েই এই প্রস্তুতি সাজানো হচ্ছে। সম্প্রতি তেল আবিবে অনুষ্ঠিত উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠকেও তেহরানের সম্ভাব্য পদক্ষেপ মোকাবিলা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এর আগে গত সপ্তাহে ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল শ্লোমি বাইন্ডার গোপনে যুক্তরাষ্ট্র সফর করে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত আলাপ করেছেন।

গত ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েল ইরানের ওপর বড় ধরনের হামলা চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্রও সেই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে এবং ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে বোমা বর্ষণ করে। ওই ঘটনার ধারাবাহিকতায় এখন আবারও অঞ্চলটিতে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ছে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধে ওয়াশিংটনের চাপ অব্যাহত থাকায় সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও ঘনীভূত হতে পারে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক কার্নি
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

আরও পড়ুন
ইরানে সম্ভাব্য অভিযানের আভাসে আকাবায় যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ
ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র আকাবা উপসাগরে তাদের যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন শুরু করেছে। ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর ইলাতের সন্নিকটে এই সামরিক তৎপরতা দেখা গেছে, যা ওয়াশিংটন এবং তেল আবিবের মধ্যে যৌথ নিরাপত্তা সমন্বয়ের অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই খবর প্রকাশ পায়।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দুই দেশের সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এখন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারেন—এমন আশঙ্কার মধ্য দিয়েই এই প্রস্তুতি সাজানো হচ্ছে। সম্প্রতি তেল আবিবে অনুষ্ঠিত উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠকেও তেহরানের সম্ভাব্য পদক্ষেপ মোকাবিলা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এর আগে গত সপ্তাহে ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল শ্লোমি বাইন্ডার গোপনে যুক্তরাষ্ট্র সফর করে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত আলাপ করেছেন।

গত ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েল ইরানের ওপর বড় ধরনের হামলা চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্রও সেই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে এবং ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে বোমা বর্ষণ করে। ওই ঘটনার ধারাবাহিকতায় এখন আবারও অঞ্চলটিতে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ছে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধে ওয়াশিংটনের চাপ অব্যাহত থাকায় সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও ঘনীভূত হতে পারে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।
সম্পর্কিত খবর
ইউক্রেন যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশি তরুণরা, দেশে ফিরলেন মৃত্যুর…
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির
সংঘাত সত্ত্বেও রাশিয়ার সামরিক সাহায্য চায়নি ইরান: ক্রেমলিন
ইরান নিয়ে সংঘাতে কানাডার ভূমিকা অসম্ভব নয়: মার্ক…
ইরানের ৩৩ বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল
ইরানের নতুন কৌশল: ভুয়া লক্ষ্যবস্তু দিয়ে বিভ্রান্ত করছে…