কিউবায় তেল বিক্রি মানেই অতিরিক্ত মার্কিন শুল্ক, নতুন নির্বাহী আদেশ ট্রাম্পের
কমিউনিস্ট শাসিত কিউবার ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) তিনি একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন, যাতে দেশটিতে তেল বিক্রি বা সরবরাহ করা যেকোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের হুমকি দেওয়া হয়েছে। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই পদক্ষেপ মূলত কিউবার সরকারকে আন্তর্জাতিক আঙিনায় আরও কোণঠাসা করার অংশ।
স্বাক্ষরিত এই আদেশে শুল্কের হার বা লক্ষ্যবস্তু কোন দেশগুলো হবে তা নির্দিষ্ট করা হয়নি; বিষয়টি চূড়ান্ত করবেন মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী। এর আগে দীর্ঘদিন ধরে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল সরবরাহ পেলেও চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন প্রশাসনের পদক্ষেপে সেই পথ বন্ধ হয়ে যায়। ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্পষ্ট জানিয়েছেন, দেরি না করে দ্রুত চুক্তিতে আসা উচিত কিউবার। ‘ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ার্স অ্যাক্ট’ (আইইইপিএ) এর আওতায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যেখানে হাভানাকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ‘অসাধারণ হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ। গতকাল (২৯ জানুয়ারি) এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া পোস্টে তিনি এটিকে কিউবা ও তার জনগণের বিরুদ্ধে ‘নৃশংস আগ্রাসন’ বলে অভিহিত করেন। তার মতে, ১৯৬২ সাল থেকে চলা মার্কিন অবরোধের কারণে ইতিমধ্যেই কিউবার মানুষ প্রায় সাড়ে ছয় দশক ধরে বিশ্বের দীর্ঘতম ও নিষ্ঠুরতম অর্থনৈতিক অবরোধ সহ্য করছে।

